বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন

করোনা আতংকেও চাকরি বাঁচাতে ঢাকা আসতে মানুষের ঢল

প্রতিবেদকের নাম / ৩৩ শেয়ার
প্রকাশিত : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২০, ৮:০৬ অপরাহ্ণ

0Shares

করোনা আতংকেও চাকরি বাঁচাতে ঢাকা আসতে মানুষের ঢল।

করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সারা দেশে চলছে লকডাউন। সরকারি ছুটির পাশাপাশি বন্ধ রয়েছে সব ধরণের গণপরিবহন চলাচল। কিন্তু উল্টো চিত্র দেশের গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে। এখানে শনিবার দুপুরের পর থেকে কর্মমুখী মানুষের ঢল নামে। করোনা আতঙ্ক মাথায় নিয়েই সবাই ছুটছেন রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায়।সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারি ছুটি বাড়িয়ে ৪ তারিখ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত করা হলেও গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কারখানার শ্রমিকের জন্য ছুটি বাড়েনি। এ জন্য রোববার কর্মস্থলে যোগ দিতে দক্ষিণাঞ্চলের হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষ করোনা আতঙ্ক নিয়েই কর্মস্থলে ছুটছেন। তাছাড়া নিম্ন আয়ের এ সব মানুষের বাড়িতে বসে থাকারও উপায় নেই। তাইতো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা কর্মের উদ্দেশে বেরিয়েছেন বলে কেউ কেউ জানান।গোয়ালন্দ বাজার এলাকার বাসিন্দা ফরিদ হোসেন জানান, তিনি ঢাকায় একটি ছোট কারখানায় কাজ করেন। সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করার পরপর তিনি বাড়িতে চলে যান। এখন কারখানার মালিক ফোন করে জানিয়ে দিয়েছেন ৫ তারিখ কাজে যোগ না দিলে চাকরি থাকবে না। তাইতো স্ত্রী-সন্তানদের বাধা ও করোনাভাইরাসের ঝুঁকি মাথায় নিয়েই অনেক ধকল সামলে ঢাকায় যেতে হচ্ছে।ফরিদপুরের মধুখালী থেকে আসা গার্মেন্টস কর্মী রিনা খাতুন, স্মৃতি আক্তার, সুইটি আক্তার, বুলবুল হোসেন, মোস্তফাসহ অনেকেই জানান, আমরা বড়ই অভাগা। তাইতো সরকার ছুটি বাড়ালেও আমাদের বাড়েনি। সময় মতো কাজে যোগ না দিলে চাকরি বাঁচানো কঠিন। ফরিদপুরের মধুখালী থেকে আসা গার্মেন্টস কর্মী রিনা খাতুন, স্মৃতি আক্তার, সুইটি আক্তার, বুলবুল হোসেন, মোস্তফাসহ অনেকেই জানান, আমরা বড়ই অভাগা। তাইতো সরকার ছুটি বাড়ালেও আমাদের বাড়েনি। সময় মতো কাজে যোগ না দিলে চাকরি বাঁচানো কঠিন। ফরিদপুরের মধুখালী থেকে আসা গার্মেন্টস কর্মী রিনা খাতুন, স্মৃতি আক্তার, সুইটি আক্তার, বুলবুল হোসেন, মোস্তফাসহ অনেকেই জানান, আমরা বড়ই অভাগা। তাইতো সরকার ছুটি বাড়ালেও আমাদের বাড়েনি। সময় মতো কাজে যোগ না দিলে চাকরি বাঁচানো কঠিন। বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ রনি জানান, সরকারি আদেশে সারা দেশে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। নৌপথে শুধুমাত্র পণ্যদ্রব্য পারাপারের জন্য সীমিত আকারে ফেরি চালু রাখা হয়েছে। যানবাহন কমে যাওয়ায় এ নৌরুটের ১৬টি ফেরির মধ্যে ১১টি বসিয়ে রেখে আমরা মাত্র ৫টি ফেরি চালু রেখেছি। কিন্তু শনিবার দুপুর থেকে মানুষের চাপে আমরা ঠিকমত পণ্যবাহী যানবাহন পারাপার করতে পারছি না। প্রতিটি ফেরিতেই মানুষের উপচে পড়া ভিড়। এরা সবাই বিভিন্ন গার্মেন্টস ও অন্যান্য ছোট-খাটো কারখানা ও ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কর্মী। করোনা ঝুঁকি থাকলেও ফেরিতে এদের এভাবে পারাপার ঠেকানো আসলে সম্ভব নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

0Shares


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

Categories

এক ক্লিকে বিভাগের খবর