Categories
ফেসবুক কর্নার

এ কেমন মন্ত্রণালয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি জানেন কিনা জানি না, স্বাস্থ্য অধিদফতর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অসত্য আর ভ্রান্ত তথ্যের বেড়াজালে সারাদেশকে আবদ্ধ করে রেখেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যা খুশি তাই করছে, স্বাস্থ্যকর্মীরা নিশ্চিত মৃত্যু জেনেও কেউ প্রশ্ন করতে গেলে তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে, এ কেমন মন্ত্রণালয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী?

আপনি যাদেরকে সম্মুখ সমরের যোদ্ধার সম্মান দিয়েছেন, তারা কাড়ি কাড়ি অর্থ না চেয়ে সামান্য সুরক্ষা সরঞ্জাম চেয়েছে কিন্তু তাদেরকে একদল জানোয়ার মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে? আপনি ব্যবস্থা নিন…আপনি ঐ জানোয়ারদের শাস্তি দিন…

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি জানেন কিনা জানি না, মাস্কের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলায় রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালককে ওএসডি করা হয়েছে—এই কদিন আগে একই কারণে আরো ১০ জন ডাক্তারকে শোকজ করা হয়েছে। একজনকে তো এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুই হাসপাতালে বদলি করা হয়েছে।

যদি আমাদের মাস্ক, পিপিই কেনার সামর্থ্য না থাকতো, তবুও প্রত্যেকটি ডাক্তার মৃত্যু জেনেও সেবা করে যেত নিশ্চিত। কিন্তু একদল মুনাফাখোর ও প্রতারক ডাক্তার-নার্সদের জীবন নিয়ে খেলছে তবে কেন ডাক্তার-নার্সরা মৃত্যু পথ বেছে নিবে?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গণভবনে সেদিন আপনি নিজেই মাস্কের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন, আপনি যথাযথ কর্তৃপক্ষকে বিষয়টা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিন কার্যদিবস থেকে আজ দশ দিন হয়ে গেল সেই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আলোর মুখ দেখে নাই।

বিশ্বাস করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বাস্থ্যখাতের এই হায়েনারা করোনা দুর্যোগ বা মহামারীকে ব্যবসার মৌসুম বানিয়েছে। এরা স্বাস্থ্যকর্মীদের এন-৯৫ মাস্কের নামে সাধারণ মাস্ক দিয়ে আবার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বাঁচাতে উঠেপড়ে লেগেছে, বিবৃতি দিচ্ছে। এরা ১২ লাখ পিপিই বিতরণ দেখায় কিন্তু স্বাস্থ্যকর্মীদের মাঝে ৮ লাখ পিপিই বিতরণ করে, বাকি ৪ লাখের হিসাব দেখাতে পারে না।

আপনি ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেন কিন্তু এই পিশাচেরা ল্যাবরেটরির জিনিসপত্র, পিপিই, কিট, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ কেনার নামে ভাগাভাগি করে খায় ২২কোটি টাকার হিসাবও দেখাতে পারে না। সারা বছর এভাবেই ভাগেযোগে বাজেট বরাদ্দের হাজার হাজার কোটি টাকা হরিলুট করে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ব্যবস্থা নিন, প্লিজ এখনি ব্যবস্থা নিন, এই কদিনেই ভুল মাস্কের কারণে ডাক্তার, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীসহ ৮৫৬ জনের বেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। তখন হাজার হাজার অনভিজ্ঞ ডাক্তার ও নার্স নিয়োগ দিয়ে সামলানো যাবে না, অভিজ্ঞ যারা আছে তাদের মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করুন।

এনায়েত শাওনের ফেসবুক থেকে

Categories
ফেসবুক কর্নার

আমাদের আজন্ম লালিত স্বপ্নের অপমৃত্যু যেন না হয়

এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ছাত্রলীগের রাজনীতি নিয়ে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলে ধরেছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত সহ-সভাপতি আবু সাঈদ আকন্দ। তিনি এর আগে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শাবিপ্রবির পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের ২০০৬-০৭ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন।

শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছাত্ররাজনীতির উত্থান পতন ও তার বহিষ্কারাদেশ নিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

‍‍“ডাঙ্গার অতিকায় জীব হাতি। তার মুখের দু’পাশের দুটি ট্রেড মার্ক দাঁত আমাদের সবারই পরিচিত চিত্র। জগতের সকল প্রাণি খাওয়ার কাজে তাদের গতানুগতিক দাঁত বহার করে। একমাত্র হাতিই আলাদা। অর্থাৎ তার যে বিশাল দাঁত দুটো আমরা দেখি তা সে খাওয়ার কাজে ব্যবহার করেনা; খাওয়ার কাজে যে দাঁত ব্যবহার করে তা আমাদের নজরেই আসেনা।

দুঃখজনক হলেও সত্য যে এই ঘটনার সাথে চলমান সময়ের অনেক রাজনৈতিক নেতার গভীর মিল। অর্থাৎ তারা বক্তৃতার ময়দানে, মিডিয়া টকশোতে যা বলে কাজের বেলায় তা করেনা। আর কাজের বেলায় যা হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তা আমরা জানি না।

স্কুল কলেজের পাঠ শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরবর্তী সময় থেকে একজন ব্যক্তিকে পরিপক্ব হিসেবেই ধরা হয়। শুধুমাত্র এই সময়ের হিসেব করলেও ২০০৬-০৭ সেশন থেকে ছাত্র রাজনীতির পথচলা শুরু যা আজও চলমান। অগ্রজদের সময়ের তুলনায় এটা খুবই কম সময়। তবে বেলা অবেলা কাল বেলার এই ১২-১৩ বছরের যাত্রা নিতান্ত তুচ্ছও নয়।

২০০৯ সালের কথা। গোলাম সারোয়ার কবির ভাই, তারেক আল মামুন ভাই, সোহেল রানা মিঠু ভাই সাস্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ছিলেন।গ্রুপিং মারামারির কারণে নির্ধারিত দিনের সম্মেলনটি আগের রাতে বাতিল করা হয়। তখন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দায়িত্বে ছিলেন “রিপন-রোটন ভাই”।

এরপর ২০১০, ২০১১ করতে করতে ২০১২ এর ৪ নভেম্বর তিনবার তারিখ পরিবর্তনের পর সম্মেলন হয়। দীর্ঘ ৭ বছর পর প্রথমবারের মত প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাই। আমার ক্যাম্পাসে তখন অনার্স-মাস্টার্স শেষ করতে সময় লাগতো ৫ বছর।

২০১৩ এর ৮ মে কেন্দ্র থেকে ৭ সদস্যের আংশিক কমিটি অনুমোদন করা হয় “সোহাগ-নাজমুল’ ভাইয়ের হাতে। যথারীতি বাদ পরলাম।কারণ আমার বাড়ি টাঙ্গাইল আর যে নেতার রাজনীতি করি তার বাড়ি বাগেরহাট। পরবর্তীতে ৮ মে ২০১৬ পূর্ণাঙ্গ হয় “সোহাগ-জাকির” ভাইর মাধ্যমে। এই আমলেও বারবার তারিখ হয়েছে শুধু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম/রেডি প্যাডের মাধ্যমে। সম্মেলন আলোর মুখ দেখেনি। এরপর দায়িত্বে আসেন “শোভন-রাব্বানী” ভাই। তাদের আমলেও অবস্থার পরিবর্তন হয়নি এরপর “জয়-লেখক” দায়িত্বে আসলেও অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে সেই অমর কমিটি ২০২০ সালেও চলমান!!!!!

২০০৬-০৭ থেকে ২০১৯-২০ পর্যন্ত আমার ক্যাম্পাস থেকে আমি একটি মাত্র কমিটির নেতা হয়েছি। আর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ পেয়েছে পর্যায়ক্রমে ৫-৪ টি দায়িত্বশীল কমিটির নেতৃত্ব যারা আমার রাজনৈতিক সহযোদ্ধা (বড় ভাই, বন্ধু, ছোট ভাই)।

সাস্টের চিত্রের সাথে বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা, মহানগরের চিত্র হুবহু মিলে যাবে যারা যুগের পর যুগ নেতৃত্বহীন। তাই বলা যায় আমরা চরম পর্যায়ের বৈষম্যের শিকার।

বিভিন্ন আমলের মধ্যে “সোহাগ-জাকির” ভাইদের আমলটি ছিল আমার ছাত্র রাজনীতির জীবনে চিরস্মরণীয় অধ্যায়। একনায়ক রাজার এলাকা ভিত্তিক “মিউচুয়াল এগ্রিমেন্ট” যাকে বলা হতো। কিছু উদাহরণ দিচ্ছি।

২০১৭ তে আমার কমিটির সভাপতি সংগঠন থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত হয়। ক্যাম্পাসে যোগ্যতা, অবস্থান, অবদান এবং সংগঠনের ১ম সহ সভাপতি হয়েও আমি ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পাইনি। আমার অযোগ্যতা ছিল আমার বাসা সিলেটে না; এটা নেতার নিজস্ব বক্তব্য।

২০ মার্চ, ২০১৮ রাতে বিশ্ববিদ্যালয় গেইটে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার আগে আমি উপবন ট্রেনে ঢাকা চলে যাই। (সাথে ছিল পিডিবির ডিডি রুহুল আমিন ভাই সাস্ট ইকো ০৫, দোলন ভাই সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এনামুল কবীর ইমন ভাইর কাজিন, পিয়ার আলী ভাই বিডিবিল ব্যাংকের ডাইরেক্টর এবং আবুল মাল আব্দুল মুহিত সাহেবের কাজিন। পরদিন ২১ মার্চ আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যাই ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি মনিরুন্নেছা নিনু আপার সাথে দেখা করতে। উনার সামনে থাকা অবস্থায় খবর পাই আমিসহ ১২ জনকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

প্রেসে লেখা হয়েছে, কেন্দ্রীয় কমিটির এক জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক যা খুবই হাস্যকর। কারণ তারা কোন জরুরি সভা করেনি। প্রেস দেয়ার সময় তৎকালীন সভাপতি জনাব সাইফুর রহমান সোহাগ ভাই ছিলেন চট্টগ্রামে।

পরবর্তীতে ১০ মে ২০১৮ ছাত্রলীগের সোহাগ-জাকির কমিটির বিদায়ী সম্মেলনের পূর্বে দপ্তর বরাবর নিজ নিজ আবেদনের প্রেক্ষিতে আমাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হয় যা মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঢালাওভাবে প্রচার হয়। “শোভন-রাব্বানী” ভাইদের কমিটি নানাভাবে যাচাই বাছাই করেই আমাকে তাদের কমিটিতে সহ-সভাপতি পদে স্থান দেয়।

এরপর মাঠে আসে বিতর্কিত ইস্যু। ধানমন্ডি ৩/এ পার্টি অফিসে ঘোষিত ১৭ জনের তালিকাতে আমার নাম ছিলনা। শোভন রাব্বানী” ভাইদের বিদায়ের পর ২/১ টা অনলাইনে আমার নামে বহিষ্কৃত অভিযোগ দিয়ে নিউজ করানো হয়। কোন রকম তদন্ত না করে শুধুমাত্র এই নিউজকে প্রমাণ ধরে “জয়-লেখক” আমাকে অব্যাহতি প্রদান করে যা আমার দৃষ্টিতে রাজাকারের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধার নাম ঢুকিয়ে দেয়ার মতই।

আমার বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবা আমার ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ পর্যন্ত দুই বার সাধারণ সম্পাদক এবং দুইবার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দল ক্ষমতায় আসার পর তিনি দায়িত্ব হস্তান্তর করেন।

আত্মবিশ্বাসের সহিত বলছি, সংগঠনে যে সময়, শ্রম, মেধা দিয়েছি তার তুলনায় বাড়াবাড়ি রকমের কিছু নেয়নি। নিজের জন্মস্থান থেকে প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার দূরে গিয়েও সবার কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছি তা কোন বিতর্কিত তো দূরের কথা তথাকথিত ক্লিন ইমেজের কতজনে পেয়েছেন পারলে হাত তুলে দেখান।

সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আপনারা চাইলেই যারে খুশি যখন খুশি এক খোঁচায় সরিয়ে/নতুন নিয়োগ দিচ্ছেন, এক কমিটি কয়েকবার করছেন আবার এক যুগেও কোন কমিটিতে হাত না দিয়ে যারে দেখতে নারী তার চলন বাঁকার এই যে সংস্কৃতি চালু করে যাচ্ছেন তা সংগঠনকে শক্তিশালী করতে বদ্ধপরিকর নয় বরং তা সংগঠনের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দিতে বদ্ধপরিকর।

তাই সংগঠনের নির্বাহী প্রধানদের কাছে বিনীত আহ্বান থাকবে, প্রকৃত যাচাই বাছাই না করে সংগঠনের স্বার্থকে প্রাধান্য না দিয়ে কারও হীন রাজনৈতিক লালসা সমৃদ্ধ চাপিয়ে দেয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাধ্যমে যেন আমাদের আজন্ম লালিত স্বপ্নের অপমৃত্যু না হয়।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

Categories
ফেসবুক কর্নার

টিউশনি খুঁজছো?

শিক্ষকতা মহান পেশা এটা আমাদের কারো অজানা নয়। এই শিক্ষকতার শুরুটাও হতে পারে ছাত্রজীবন থেকেই। এই পড়ানো হতে পারে ছাত্রজীবনে আয়ের উৎসও। নিজের চাইতে বয়সে আর ক্লাসে ছোট শিক্ষার্থীদের পড়িয়েই করা যেতে পারে অর্থ উপার্জন। আজকের টেন মিনিট স্কুলের শুরুর দিকের ফান্ডিং হয়েছিলো আমার এই পড়িয়ে রোজগার করা টাকা থেকেই।

চলো আজ জেনে নেওয়া যাক এই মহান পেশা শিক্ষকতার মাহাত্ম্য সম্পর্কে। ছাত্রাবস্থায় টিউশনি বা পড়ানো শুরু করার সময় আমাদের বেশ কিছু সমস্যা আর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। এই ব্যাপারগুলো নিয়ে জেনে রাখা জরুরি।

ছাত্র-ছাত্রী পাবো কোথায়? – টিউশনি শুরুর আগে সবার মাথায় ঘুরতে থাকা প্রশ্ন হলো এটা! আমার অভিজ্ঞতা যদি শেয়ার করি তাহলে বলতেই হয়, এলাকার দেয়ালে ‘পড়াতে চাই’- লেখা পোস্টার দিয়েই শুরু হয়েছিলো শিক্ষক হিসেবে আমার যাত্রা। চার বন্ধু মিলে নিজেদের নাম আর মোবাইল নাম্বার দিয়ে বানিয়েছিলাম একটা পোস্টার আর সেটাই সেঁটে দিয়েছিলাম বিল্ডিং এর নোটিশ বোর্ডে। এক সপ্তাহের মধ্যে চার বন্ধুরই মিলেছিলো টিউশনি। আর এখন এই ডিজিটাল যুগে ফেসবুককেও কাজে লাগাতে পারো ছাত্র-ছাত্রী খোঁজ করার কাজে।

তাই, তোমরাও বানিয়ে ফেলো পোস্টার আর সেঁটে দাও পাড়ার দেয়ালে। কিংবা পোস্ট করো ফেসবুকে; টিউশনি পাওয়া সময়ের ব্যাপার।

প্রচারেই প্রসার- ব্যাচে ছাত্র-ছাত্রী পড়ালে সেটা সেই ব্যাচের মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকে। তোমার পড়ানোর দক্ষতার প্রসার ঘটে না। একটা ছোট্ট ডিজিটাল হ্যাক কাজে লাগিয়ে বাড়াতে পারেন আপনার পরিচিত। তোমার পড়ানো ক্লাস, লেসন আর সেশনগুলো রেকর্ড করে আপলোড করে দাও ফেসবুক বা ইউটিউবে। এতে বাড়বে তোমার পরিচিতি আর দক্ষতার প্রসার!

ব্যাচে পড়াও- পড়ানো শুরু করে দেবার পর যখন তোমার পড়ানোর দক্ষতার সাথে সাথে শিক্ষার্থীর পরিমানটাও বাড়তে থাকবে তখন ব্যাচে পড়ানো শুরু করো। একই সময়ে অনেককে পড়াও। কারণ সবাইকে আলাদা করে সময় দেওয়াটা অসম্ভব এবং একইসাথে অবান্তর। তাই, শিক্ষার্থী সংখ্যা বেড়ে গেলে ব্যাচে পড়ানো শুরু করো।

জয়েন করো ফেসবুক গ্রুপগুলোয়- ব্যাপারটা কিন্তু এমন নয় যে তুমি একাই পড়ানোর জন্যে শিক্ষার্থী খুঁজে হয়রান হচ্ছো। এমন অনেক অভিভাবক আছেন যারা নিজেদের সন্তানকে পড়ানোর জন্যে একজন ভালো টিউটর খুঁজছেন। টিউটর নেই/ দেই- টাইপের বেশ কিছু গ্রুপ আছে ফেসবুকে। জয়েন করো সেসব গ্রুপে, যাতে খোঁজ পাওয়া মাত্রই নিজের টিউশনটা সুনিশ্চিত করে ফেলতে পারো।

বানিয়ে ফেলো নিজের নোট- নিজে টিউশনি শুরু করার পর আস্তে আস্তে নিজের নোট বানানোতে মনোযোগ দাও। যেসব ক্লাসের শিক্ষার্থীকেই যে বিষয়ই পড়াও না কেন সেটার জন্যে নিজের নোট তৈরী করে ফেলো। দেশসেরা শিক্ষকদের সবারই কিন্তু এমন নিজেদের আলাদা নোট আছে। নিজের এই নোটগুলো একদিকে যেমন তোমার ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরী করে অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের পড়ানো আর বোঝানোটাও অনেকটা সহজ হয় নিজের তৈরী করা নোট থাকলে।

খোঁজ করো ব্যাচের- নতুন নতুন পড়ানো শুরু করা শিক্ষকদের জন্যে স্টুডেন্ট পাওয়াটা বেশ কঠিন। তাদের জন্যে একটা সহজ উপায় বাতলে দেই। অনেক জায়গায় দেখা যায় রুম ভাড়া করে একসাথে বেশ কিছু শিক্ষার্থীকে পড়ানো হয়। সেসব ব্যাচে পড়ানোর সুযোগ পাও কি না দেখো। আস্তে আস্তে দেখবে সেখানকার শিক্ষার্থীরাই হবে তোমার নতুন শিক্ষার্থী পাবার উৎস।

অভিনব শাস্তি পদ্ধতি- শিক্ষক হিসেবে পড়াতে গেলে, তোমাকে মানসিক ভাবে দু’ধরণের শিক্ষার্থীর মুখোমুখি হবার জন্যে মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশাপাশি দু-চারটে দুষ্টু আর ফাঁকিবাজ শিক্ষার্থী দুর্ভাগ্যজনকভাবে যদি তোমার কপালে জুটেই যায় তাহলে শাস্তিও তো দিতে হবে একটুখানি। আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে দুটো মজার শাস্তির কথা বলি। আমি যাদের পড়াতাম তাদের কেউ পরীক্ষায় খারাপ করলে তার শাস্তি হিসেবে তাকে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টটা মিনিট পাঁচেকের জন্যে আমাকে দিতে হতো। আমি সেখান থেকে যা ইচ্ছে তাই পোস্ট করতে পারবো। মানুষ তার ফেসবুক নিয়ে বড্ড সংবেদনশীল। নিজের মানসম্মান বাঁচাতে তাই পড়াশোনার অগ্রগতিও হয়ে যেতো চোখে পড়ার মতো। আরেকটা মজার শাস্তি ছিলো, রোজকার পরীক্ষায় সর্বনিম্ন নম্বর প্রাপ্ত শিক্ষার্থীকে সেদিন সবার খাবারখরচ বহন করতে হবে।

শিক্ষক হিসেবে তুমিও উদ্ভাবন করতে পারো মজার সব শাস্তি আর প্রয়োজনমতো করতে পারো সেগুলোর সদ্ব্যবহার।

বেতন বিড়ম্বনা- এমন অনেকের সাথে হয়েছে যে কয়েকমাস পড়ানোর পরও সময়মতো বেতন না নেওয়ার কারণে শেষে যখন শিক্ষার্থীর রেজাল্ট খারাপ হয়েছে তখন আর বেতনটা নেবার সুযোগটুকুও মেলেনি। তাই, নিজের পাওনা সময়মতো বুঝে নেবার অভ্যাস করো। নয়তো শেষে না পারবে চাইতে না পারবে ছেড়ে দিতে। আর এরচেয়ে বিব্রতকর ব্যাপার ঘটে যখন কোনো আত্মীয় কিংবা পরিচিত কাওকে পড়াতে হয়। সেরকম ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়ই টাকা চাওয়া বা নেওয়াটা বেশ অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। এই ব্যাপারগুলো যেন আগে থেকেই পরিষ্কার করা থাকে।

তাই তোমরা যারা শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে নিতে আগ্রহী, শেখাতে ভালোবাসো তাদের বলছি আলোচ্য কৌশলগুলোকে কাজে লাগিয়ে শুরু করে দাও পড়ানো। ছড়িয়ে দাও নিজের জ্ঞানগুলোকে অনেকের মাঝে!

স্টুডেন্ট হ্যাকস (বেস্টসেলার | বইমেলা ২০১৯)

আয়মান সাদিক ও সাদমান সাদিক

Categories
ফেসবুক কর্নার

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর ভয়ানক খিঁচুনির ভিডিও ভাইরাল

বিশ্বব্যাপী আতঙ্কের নাম এখন করোনাভাইরাস। চীনে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের আক্রান্ত হয়ে এরইমধ্যে মৃতের সংখ্যা তিনশ ছাড়িয়েছে। এছাড়া ১২ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছে।

চীনের যে উহান শহর থেকে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস ছড়িয়েছিল সেই শহরের একটি হাসপাতাল থেকে ধারণ করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত একজন রোগীর বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বিছানায় আপাদমস্তক মোটা কম্বলে ঢাকা এক রোগীর শরীর তীব্র খিঁচুনি দিয়ে শুধু কাঁপছে।

চীনে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০৪ জনে।

দেশটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভাইরাসটিতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৩৮০ জনেরও বেশি মানুষ।

হুবেইপ্রদেশ থেকে ছড়ানো এ প্রাণঘাতী ভাইরাসে চীনের ৩১টি প্রদেশের সব এবং বিশ্বের অন্তত ২৬ দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

Categories
ফেসবুক কর্নার

ভোট দেখেছি, ভূত দেখিনি

ভোট দেখেছি, ভূত দেখিনি
সকাল থেকে ১৪টি কেন্দ্র ঘোরা এবং শতাধিক ভোটারের সঙ্গে কথা বলার পর আমার চোখে দুই সিটি নির্বাচন:


১. সকালে বনানী/মহাখালীর তিনটি কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত, লম্বা লাইন ছিল, কিন্তু ভোটার স্লিপ নিয়ে নাম্বার মিলিয়ে কামরা খুঁজে বের করে আঙুলের ছাপ মিলিয়ে বুথের ভেতরে ঢুকে পছন্দের প্রার্থীর নাম ও ছবির পাশে সাদা বোতাম টেপা এবং ইভিএম মেশিনের নীচে সবুজ বোতামে চাপ দিয়ে ভোটটি কনফার্ম করা অবধি সময়কালটা ১০-১৫ মিনিট, ক্ষেত্র বিশেষে আরও একটু বেশি। কিন্তু দিন গড়াতে গড়াতে শেষ যে ভোটকেন্দ্রটিতে গিয়েছি সেখানে এই সময়কাল কমে এলেও উপস্থিত ভোটারদের কেউ কেউ অস্বস্তি ও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন।


. যতো পোস্টার, ব্যানার ঝুলেছে তত ভোটার নির্বাচনে অংশ নেয়নি। এর কারণ কী? ভোট ও ভোট কেন্দ্র বিষয়ে অপপ্রচার বিশেষ করে কেন্দ্রে গিয়েও ভোট দিতে পারবেন না, দেখবেন ভোটটি দেয়া হয়ে গেছে – এই প্রচারণা বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করি, সঙ্গে কেন্দ্র দখলের গুজব ছড়িয়ে দেওয়ার কারণেও ভোটার আসেনি বলে উপস্থিত ভোটারদের কেউ কেউ বলেছেন।


৩. গণপরিবহন সুবিধা না থাকায় অনেক ভোটার কেন্দ্রে আসতে পারেননি বলে উপস্থিত ভোটারদের কেউ কেউ তাদের আত্মিয়-পরিজন সকলেই ভোট দিতে এসেছেন কিনা প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছেন।


৪. নির্বাচনী প্রচার চলাকালে বড় দুই দলের ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের পেশী শক্তি প্রদর্শন ভোটারদের মনে ভীতির সঞ্চার করেছে, তারা প্রচারণায় যতো আগ্রহী ছিল ভোটারদের কেন্দ্রে নিয়ে আসার ব্যাপারে তেমন আগ্রহী ছিল না বলে মনে হয়েছে। আমার আরও একটি ব্যাপার মনে হয়েছে, প্রার্থীদের বিশেষ করে মেয়র প্রার্থীদের কারও কারও এটা মনে হয়ে থাকতে পারে যে, বেশি ভোটারের উপস্থিতি তার পরাজয়ের কারণ হতে পারে, বিশেষ করে সরকারী দলের প্রার্থীদের মধ্যে এরকম একটা ভীতি কাজ করেছে কিনা সেটা দু’একজন সাংবাদিক বন্ধুও এরকমটিই ভাবছেন বলে মনে হয়েছে, ফলে তারা ভোটারদের কেন্দ্রে আসায় উৎসাহিত করেছেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়নি।


৫. ভোটের দিন যেমন সংঘর্ষ হওয়ার আশঙ্কা অনেকেই করেছিলেন তেমনটি একেবারেই হয়নি, বিক্ষিপ্ত কিছু সংঘর্ষ হয়েছে, সাংবাদিককে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু উভয় পক্ষের কাউন্সিলর প্রার্থীরা বলেছেন, হামলাকারীদের তারা চেনেন না, মোটকথা কেউ কারও ওপর দোষ চাপাননি – এটা ইতিবাচক মনে হয়েছে।


৬. ভোটকেন্দ্রের বাইরে সরকারী দলের প্রার্থীদের ব্যাজ লাগানো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ব্যক্তিকে জটলা করতে দ্যাখা্ গেছে, সে তুলনায় বিরোধী পক্ষের প্রার্থীদের ব্যাজ লাগানো কর্মীদের দ্যাখা যায়নি। যে কয়েকজনকে পাওয়া গেছে তাদেরকে প্রশ্ন করে জানা গেছে যে, ব্যাজ লাগিয়ে না দাঁড়ানোটাই তাদের প্রার্থীদের সিদ্ধান্ত, যাতে কেউ তাদের সনাক্ত করে সরিয়ে দিতে না পারে। এজেন্টের সংখ্যা সরকারী দলের প্রার্থীদের বেশি ছিল কিন্তু বিরোধী পক্ষের এজেন্টদের যাদেরকে পেয়েছি প্রশ্ন করেছি যে, তাদেরকে কেউ বের করে দিতে চেয়েছে কিনা, তারা বলেছে, না করেনি।


৭. আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে যথেষ্ট তৎপর থাকতে দেখা গেছে, কিন্তু ভোটকেন্দ্রের সামনে ভিড় কমানোর চেষ্টা করতে কাউকে দেখিনি। ভিড়টি বেশ লক্ষ্যনীয় ছিল।


৮. তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি অস্বাভাবিক ভাবে কম ছিল। পুরুষ ভোটারের চেয়ে নারী ভোটারের উপস্থিতি কেন্দ্রুগুলোতে (যে সকল কেন্দ্রে গিয়েছি এবং যে সব কেন্দ্রের সামনে গাড়ি থামিয়ে ভোটারদের ছবি তুলেছি) বেশি ছিল।


৯. উত্তরের ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের স্লিপ পেতে তুলনামূলকভাবে কম বেগ পেতে হয়েছে দক্ষিণের ভোটকেন্দ্রগুলোর চেয়ে। প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসারদের সহযোগিতা ছিল ভোটারদেরকে নতুন এই পদ্ধতিতে ভোট প্রয়োগের ক্ষেত্রে কিন্তু কামরায় ঢোকার পর ভোটারদেরকে অনেকেই এজেন্টদের কাছে ধর্ণা দিতে দেখা গেছে, যদিও কামরার মধ্যে বসে থাকা এজেন্টদের শুধু এটাই দেখার কথা যে, কেউ ভোটারদের ভোটদানে বাধা বা পক্ষে ভোট নেওয়ার চেষ্টা করছে কিনা।


১০. কেন্দ্রের ভেতর মোবাইলে ছবি তোলার ঘটনা চোখে পড়েছে।
(নির্বাচন কেমন দেখলাম – Zayadul Ahsan Pintu পিন্টুদা’র প্রশ্নের উত্তরে এই লেখা। নির্বাচনে কেন ভোটার উপস্থিতি এতো কম সে প্রশ্নের উত্তর অবশ্যই রাজনৈতিক দলগুলোকে খুঁজতে হবে – আগ্রহীরা চাইলে আরও তথ্য-অভিজ্ঞতা যোগ করতে পারেন)
(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত?)

লেখক : মাসুদা ভাট্টি

Categories
ফেসবুক কর্নার

আত্মহত্যাকারী পুলিশের স্ট্যাটাসে যা লিখেছিলেন

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে রাজধানীর মিরপুরে নিজের ইস্যুকৃত অস্ত্রের গুলিতে আত্মহত্যা করেছেন এক পুলিশ সদস্য। তার নাম আবদুল কুদ্দুস। তিনি পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে কর্মরত ছিলেন।


আত্মহত্যার আগে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে জানিয়েছেন পারিবারিক অশান্তির কারণেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। আত্মহত্যাকারী পুলিশ সদস্যের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

কাফরুল থানার ডিউটি অফিসার শহীদুজ্জামান বলেন, বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ভোরে আবদুল কুদ্দুস পিস্তল দিয়ে পেটে গুলি করে আত্মহত্যা করেন। ঘটনাস্থলে আমাদের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা গেছেন। এর চেয়ে বেশি কিছু আমার জানা নেই।

জানা গেছে, আবদুল কুদ্দুস পারিবারিক সমস্যায় ভুগছিলেন। মৃত্যুর আগে ওই পুলিশ সদস্য ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। ওই স্ট্যাটাসে নিজের মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করলেও স্ত্রী ও শাশুড়ির নামে বিভিন্ন কথা লিখেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

Categories
ফেসবুক কর্নার

নরসিংদীতে আসছে উড়ন্ত সিএনজি (ভিডিও)

সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে মুহুর্তেই ভাইরাল হয়ে যায় সবকিছু। এবার এমনই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে শিবপুর সংবাদ নামে একটি ফেসবুক পেইজে।


সিএনজির পেছনে হাইওয়ে পুলিশের ভ্যানের ধাক্কা ভিডিওটি শেয়ার করে যার ক্যাপশনে লেখা হয়েছে ‘এই ধরণের সিএনজি আসতেছে শিবপুর নরসিংদী রুটে’।

এই ধরণের সিএনজি আসতেছে শিবপুর নরসিংদী রুটে

এই ধরণের সিএনজি আসতেছে শিবপুর নরসিংদী রুটে

Posted by Nazmul Hossain on Friday, 3 January 2020
Categories
ফেসবুক কর্নার

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের কাছে ক্ষমা চাইলেন গোলাম রাব্বানী

ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত পুনর্মিলনীতে থাকার সুযোগ হয়নি চাঁদাবাজিসহ দুর্নীতির দায়ে অপসারিত সংগঠনটির সাবেক সভাপতি রেজুওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর।

গতকাল শনিবার বিকালে ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজন করা হয় পুনর্মিলনীর।

অনুষ্ঠানে সাবেক নেতাদের নাম ঘোষণার সময়ও স্থান হয়নি তাদের। এরপর রাতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ক্ষমা চান গোলাম রাব্বানী।

নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে রাব্বানী লেখেন, ‘ছাত্ররাজনীতির গুণগত পরিবর্তনের অভিলাষ নিয়ে ছাত্রলীগকে ‘ইতিবাচকতার ব্রান্ড অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার এক বুক স্বপ্ন নিয়ে যাত্রাটা শুরু হয়েছিল। চলার পথের নানা বন্ধুরতা, অসাবধানতা, ত্রুটি-বিচ্যুতি, আর বোধ করি শতভাগ প্রচেষ্টার অভাবে স্বপ্নটা অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘স্নেহ-ভালোবাসার প্রিয়মুখ জয়-লেখকের হাত ধরে সে আজন্ম লালিত স্বপ্ন পূর্ণতা পাক, এই প্রত্যাশা। অন্তর্নিহিত দোয়া, শুভকামনা আর পূর্ণ সহযোগিতা থাকবে তোদের জন্য।’

‘শিক্ষা-শান্তি-প্রগতির পতাকা হাতে পথ চলতে গিয়ে ছাত্রলীগ পরিবারের কাউকে বঞ্চিত করে থাকলে, কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করছি, নিজ গুণে ক্ষমা করে দেবেন। ভালো থাকুক প্রাণের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ভালো থাকুক আমার আত্মার পরম আত্মীয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পরিবারের সকল সদস্য।

Categories
ফেসবুক কর্নার

সেই আলোচিত ছাত্রলীগ নেত্রী এশাকে বিয়ে করছেন সোহাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে আলোচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফিয়া কামাল হল শাখা ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি ইশরাত জাহান এশার সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন ছাত্রলীগের ওই সময়ের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ।

এ নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার গণভবনে প্রধামনত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সোহাগ ও এশার পরিবারের সদস্যরা ।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ তার ব্যক্তিগত ফেসবুকে লিখেন , আমার অভিবাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আমদের বিয়ের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারী ঠিক দিয়েছেন । সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন । সবাইকে ইংরেজী নববর্ষের শুভেচ্ছা ।

Categories
ফেসবুক কর্নার

হাতিরঝিলে ‘মানব কুকুর’ ও নেপথ্যের ঘটনা

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে একই ঘটনার পুনারাবৃত্তি দেখা গেল রাজধানী ঢাকার হাতিরঝিল এলাকায়। এই পারফর্মিং আর্টের শিল্পীরা হলেন টুটুল চৌধুরী ও সেঁজুতি। বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা সমালোচনা চলছে।

সেঁজুতি এটাকে ‘সমাজতাত্ত্বিক’ ও ‘আচরণমূলক’ কেসস্ট্যাডি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি নিজে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পেইন্টিং ও ড্রয়িংয়ের শিক্ষার্থী। এই পারফর্মিং আর্টের উদ্দেশ্য, কার্টুনে যেমন বিভিন্ন প্রাণীকে মানুষের মতো কথা বলা ও আচরণভাবে দেখানো হয় তেমনি এখানে মানুষকে প্রাণী চরিত্রে দেখানো হয়েছে।

সেঁজুতি লেখক ক্লদিয়া স্লানারের লেখাকে উদ্ধৃত করে লিখেছেন, এই ছবিতে একজন নারী একজন পুরুষকে গলায় রশি বেঁধে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এটা হচ্ছে আমাদের নৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বা আরো ভালো কোনো সামাজিক অবস্থার চিত্র দেখায় না। বরং সমাজ আমাদের ওপর যে সিস্টেম চাপিয়ে দিয়েছে সেটাই ফুটে উঠেছে। আমরা যে কাজটা করেছি এই কাজের প্রতি দৃষ্টীভঙ্গি এবং এই কাজটাকে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিয়েছে সেটাই আমরা দেকঝতে চেয়েছি।

যদি ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেঁজুতি কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পারফর্মিং আর্টের ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে বলা হচ্ছে হাতিরঝিলে দেখা গেল মানব কুকুর কিংবা আমাদের সমাজে ঢুকে গেল পশ্চিমা নিম্ন প্রকৃতির সংস্কৃতি।

সেঁজুতি এই পুরো বিষয়টির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘রোগ হইলে যেমন ডাক্তারের কাছে যাওন লাগে কিন্তু তার আগে রোগটা নির্ণয় করতে হয়। এখন পরিচিত রোগের সাথে তো পরিচিত কিন্তু অপরিচিত/অজানা রোগ হইলে কেম্নে বুঝবা? এখন আমি অসুস্থ হইলে সেটা কষ্ট দেয় আগে কাকে! আমার পরিবারকে।

আর আমরা অসুস্থ হইলে কাকে কষ্ট দেয়!! সমাজকে। তাই সমাজ সুস্থ করতে হইলে আগে আমাদের সুস্থ থাকতে হবে তাই না? তাই আমরা সুস্থ আছি কিনা অইটা পরীক্ষা করলাম। কাটা দিয়ে কাটা তোলা বুঝে সবাই কিন্তু প্র‍্যাক্টিক্যাল ক্লাস কেউ মন দিয়ে করে না।