Categories
দেশ বিজ্ঞান ও প্রযক্তি

ফিঙ্গারপ্রিন্ট এর মাধ্যমে জানা যাবে আপনি বিবাহিত না অবিবাহিত।

হাসানুল বান্না উসামা

ডেস্ক রিপোর্ট

ময়মনসিংহের ত্রিশালে অবস্থিত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দুই শিক্ষার্থী মো: আলমাস হোসাইন শাজা এবং মো: ইউসুফ জামিল রনি আবিষ্কার করেছেন

‘Biometric Registration System for Preventing Illegal Marriage’ নামে অভিনব এক ইলেকট্রনিক ডিভাইস।

এই ডিভাইসের উপর আঙ্গুলের ছাপ পড়া মাত্র বোঝা যাবে আপনি বিবাহিত নাকি অবিবাহিত। তাছাড়াও এই ডিভাইসের মাধ্যমে বাল্যববিাহ ও বহু ববিাহ প্রতিরোধ সম্ভব।

ডিভাইসটি তৈরি করার জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যান করতে ZKTeco ডিভাইস ব্যবহার করি। ইথারনেট ও ম্যানুয়াল IP Address এর মাধ্যমে উপরোক্ত যন্ত্রটি কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও ট্যাব-এর সাথে সংযোগ দিয়ে ব্যবহার করা যাবে।

যন্ত্রটি যে তিনটি প্রক্রিয়ায় কাজ করে

প্রথমত, নতুন বিয়ের ক্ষেত্রে জেড.কেটি.ইকো (z.kt.eco) যন্ত্রটির উপর আঙ্গুলের ছাপ দেয়ার সাথে সাথে একটি ফর্ম আসবে। তারপর ফর্ম পুরণ করে দিতে হবে।

দ্বিতীয়ত, পুনরায় যাচাই বাচাই প্রক্রিয়া। (varification system)।

তৃতীয়ত, আপনি কি বিবাহিত নাকি অবিবাহিত বা বিয়ের বয়স হয়েছে কিনা, তা যাচাই করার জন্য জন্মনিবন্ধন কার্ডের নাম্বারের বিপরীতে বের হয়ে আসবে আপনার বিস্তারিত তথ্য।

যেমন, বিয়ে করেছেন কিনা, আপনার বয়স কত, কোন কাজী বিয়ে পড়িয়েছিল, বিয়ের সাক্ষী কে কে, বিয়ের দেনমোহর কত, কবে বিয়ে হয়েছিল তার বিস্তারিত তথ্য বের হয়ে আসবে। যার ফলে তথ্য গোপন করে বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহের বিষয়টি গোপন থাকবে না।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানের জন্য যে ZKTeco ডিভাইসটি ব্যবহার করা হয়। তার মূল্য ১০ হাজার ২০০ টাকা। এর বাইরে ব্যক্তিগত ল্যাপটপ ব্যবহারের বাইরে তেমন কোন খরচ নেই। এ ছাড়াও বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম রেজিস্ট্রেশনের ন্যায় নির্ধারিত ট্যাবে এই সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে।

এই প্রজেক্টটি আপাতত অফলাইনে তৈরি। বলা যেতে পারে ডেমো সিস্টেম। সাংবিধানিক অনুমতি পেলে ASP.net এর মাধ্যমে সেন্ট্রাল সার্ভারে সংযুক্তি করণের মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে সেবা দেওয়া সম্ভব।

এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কাজীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে সিস্টেমের বিষয়ে অবগত করে নিতে হবে। বিয়ের নিবন্ধন ফি সরাসরি কাজীর হাতে না দিয়ে ভার্সিটি এডমিশন বা চাকরি আবেদনের সিস্টেম অনুযায়ী নির্ধারিত নিবন্ধন ফি রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর/মোবাইল ব্যাংকিং সিস্টেমের মাধ্যমে পরিশোধ করে বিবাহ নিবন্ধনের কাজ সম্পন্ন করা যেতে পারে।

Categories
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিজ্ঞান ও প্রযক্তি

কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে ২০৫০ সালের প্রযুক্তি

ঢাকা, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮ | ২৯ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

কোয়ান্টাম কম্পিউটার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ফাইভজির মতো অবকাঠামোগত প্রযুক্তির উন্নয়নে বদলে যাচ্ছে বিশ্ব। কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে ২০৫০ সালে, একটু কল্পনা করুন তো?

প্রযুক্তি বিশ্বের খোঁজ খবর রাখেন এমন যে কেউই অনুমান করতে পারেন আগামী তিন দশকে একটি বড় পরিবর্তন আসবে। নতুন সব উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে বিপ্লব ঘটতে পারে মেডিক্যাল, লাইফস্টাইল, যান্ত্রিক ও কারিগরি ক্ষেত্রে।

তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটছে এখনই। মাত্র দিন দুয়েক আগে খবর পাঠ করেছে এআই। এমন কত কিছুই দেখা যাবে সামনের দিনে।

চলুন দেখে নেওয়া যাক বর্তমানের ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতের প্রযুক্তি কেমন হবে –

ফাইভজি পরবর্তী প্রজন্মের মোবাইল ইন্টারনেট। এই প্রযুক্তি মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে পুরো ঢেলে সাজাবে। ফোর জি থেকে ১০০-১০০০ গুণ বেশি দ্রুত এই নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় ডেটা স্পিড হবে কয়েক গিগাবাইট পার সেকেন্ড।

লেটেন্সি নেমে আসবে প্রায় শুন্যের কোঠায়। যার কারণে নির্মাণ সম্ভব হবে অনেক ধরনের নতুন নতুন প্রযুক্তি, যেমন-সেলফ ড্রাইভিং কার। বিকশিত হবে ইন্টারনেট অব থিংস ইন্ডাস্ট্রি।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং:

এই দুটি প্রযুক্তি ইতিমধ্যে প্রায় ম্যাচুরিটিতে পৌঁছে গেছে। বর্তমানে এসব প্রযুক্তির ব্যবহারের সীমা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটির কল্যাণজনক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে মানুষের জন্য জীবনযাপন অনেক সহজ হবে। সব জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করানো যাবে রোবট দিয়ে।

কোয়ান্টাম কম্পিউটার:

সময়ের সঙ্গে কম্পিউটার পদ্ধতির অনেক পরিবর্তন এসেছে। বলা হয়ে থাকে, ২০০৭ সালে উন্মোচিত প্রথম আইফোন নাসার সর্বপ্রথম কম্পিউটার সিস্টেম থেকে শক্তিশালী ছিল।

কোয়ান্টাম কম্পিউটার বাণিজ্যিকভাবে সুলভ হলে সেটি হবে আজকের একটি সুপার কম্পিউটারের সমান সক্ষমতার। এ কম্পিউটার সিস্টেমের ওপর দাঁড়াবে পরবর্তী প্রজন্মের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, অগমেন্টেড রিয়েলিটি ও ইন্টারনেট অব থিংস।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও অগমেন্টেড রিয়েলিটি:

এ অবকাঠামোগত প্রযুক্তিটি ইতিমধ্যেই অনেক সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে। এর ওপরে দাঁড়িয়ে সামনের দিনগুলোতে নির্মিত হবে অনেক ধরনের অ্যাপ যেগুলো বাস্তব ও কৃত্রিম বাস্তবের সমন্বয়ে এক নতুন বিশ্ব চোখের সামনে হাজির করবে।

এসব অবকাঠামোগত প্রযুক্তি আগামী কয়েক দশকের মধ্যেই বাণিজ্যিকভাবে সুলভ হবে, যার কারণে বিপ্লব আসবে মেডিক্যাল, লাইফস্টাইল ও মেকানিক্যাল ক্ষেত্রে।

চলুন দেখে নেওয়া যাক কেমন হতে পারে আগামীর এসব প্রযুক্তিগুলো

ড্রোন : ২০৫০ সালের মধ্যে ড্রোন একটি মেইনস্ট্রিম প্রযুক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। ডেলিভারি ড্রোন এমনকি মনুষ্যবাহী ড্রোনও দেখা যাবে আকাশে। অ্যামাজন, আলিবাবাসহ বিশ্বের সব বড় রিটেল কোম্পানি ডেলিভারি ড্রোন ব্যবহার করবে।

নবায়নযোগ্য শক্তির বিপ্লব : ২০৫০ সালের মধ্যে নতুন নকশার ঘরবাড়ি দেখা যেতে পারে। ফ্লেক্সিবল সোলার প্যানেলে মোড়ানো থাকবে এসব বাড়ি। যেগুলোর মধ্যে একটি ব্যাটারি চেম্বারও থাকবে।

সুপার এফিশিয়েন্ট ইলেক্ট্রিক অ্যাপ্লায়েন্স বিদ্যুৎ খরচ করবে কম। ফলে অল ইলেক্ট্রিক সিস্টেম দাঁড়াবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবট : শিল্প কারখানার প্রডাকশন লাইনে মানুষের চেয়ে রোবট বেশি দেখা যাবে। মেশিন লার্নিংয়ের মাধ্যমে নির্মিত বিশেষায়িত রোবট অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করবে।

বৈদ্যুতিক গাড়ি : ২০৫০ সালের মধ্যে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বেশ বাড়বে। ফাইভজি সার্ভিসের কারণে লেটেন্সি কমে গেলে বৈদ্যুতিক গাড়িগুলোর বেশিরভাগই হবে ড্রাইভারলেস। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে স্মার্ট ভেহিকল সিস্টেম গড়ে উঠবে।

ফ্লেক্সিবল স্ক্রিন : ২০৫০ সালের মধ্যে ফ্লেক্সিবল স্ক্রিনের ব্যবহার মেইনস্ট্রিম হবে। বাড়ির ওয়ালপেপার হিসেবে ব্যবহৃত হবে এসব স্ক্রিন। ইউনিফাইড ইলেক্ট্রনিকস সিস্টেমে আপনি আপনার সব ধরনের ইলেক্ট্রনিকস সিস্টেমের তথ্য সেসব ওয়ালপেপারে দেখতে পাবেন। এই প্রযুক্তি শিক্ষাক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটাবে।

মেডিক্যাল রোবট : ওই সময়ের মধ্যে মানুষের নানান ধরনের অসুখ সারতে রোবটের ব্যবহার বাড়বে। ফাইভজির লো লেটেন্সিকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন সার্জারিও সম্পন্ন হবে রোবটের সাহায্যে।

রোবট কৃষক : কৃষিক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার বাড়বে। বিশ্বের নানান জায়গায় স্বয়ংক্রিয় খামার দেখা যাবে।

স্মার্টফোনের জায়গায় স্মার্ট গ্লাস : স্মার্ট গ্লাস বাজারে আনতে পারে বড় কোম্পানিগুলো। যেসব গ্লাসে অগমেন্টেড রিয়েলিটিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা হবে নানান ধরনের অ্যাপ। বাস্তব ও কৃত্রিম বাস্তবের সমন্বয়ে এক নতুন পৃথিবী চোখের সামনে আসবে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যয় অনেক কমবে : ২০৫০ সালের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহারের ফলে অনেক পণ্যের উৎপাদন ব্যয় কমে আসবে। যার কারণে কমে আসতে পারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম।

ক্যাশ হয়ে যাবে সেকেলে : ক্যাশলেস লেনদেন সর্বক্ষেত্রে ব্যবহৃত হবে। টাকা কেবল নম্বরেই দেখা যাবে। হাত দিয়ে ধরার সৌভাগ্য নাও হতে পারে আগামী ৩০ বছরের মধ্যে।

থ্রিডি প্রিন্টিং : থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের মাধ্যমে অনেক জটিল মডেলের ডামি তৈরি করা যাবে। যার ব্যবহার আগামী কয়েক দশকের মধ্যে ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাবে। স্থাপত্যের শিক্ষার্থীদের আর রাত জেগে এটা সেটা জুড়ে মডেল তৈরি করতে হবে না।

সবশেষে বলা যায়, ২০৫০ সালের মধ্যে প্রযুক্তি পৃথিবীকে আমূল পরিবর্তন করে দেবে এটা আশা করা যায়। দেশে দেশে গড়ে উঠবে স্মার্ট শহর। একই সময়ে এসব প্রযুক্তির অসাধু ব্যবহার থেকেও সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি যেন মানুষের জন্য ক্ষতি বয়ে না আনে সেদিকে বেশি খেয়াল রাখতে হবে।তথ্যসূত্র:ভার্জ

Categories
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিজ্ঞান ও প্রযক্তি

আগামীর বিজ্ঞান-প্রযুক্তি নিয়ে হকিংয়ের যে ৫ ভাবনা

ঢাকা, বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮ | ২৯ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

এলিয়নের সঙ্গে সাক্ষাৎ খুব একটা সুখকর হবে না। আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থানসহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা মানুষের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলবে বলে মনে করতেন স্টিফেন হকিং।

তার মতে, মহাকাশ গবেষণা যতটা এগোবে মানুষের পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ততই তৈরি হবে। এসব বিষয়ের সঙ্গে জলবায়ুর পরিবর্তন পৃথিবী ও মানুষের ভবিষ্যৎকে কোন পথে নিয়ে যাবে তাও ভাবনার বিষয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ বিষয়ে সদ্য প্রয়াত প্রখ্যাত এ তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানীর পাঁচ অনুমান নিয়ে এ প্রতিবেদন।

জিন এডিটিং : জিন এডিটিং হচ্ছে প্রাণীর ডিএনএতে সংযোজন বিয়োজন করে নিজের মতো করে একটি প্রাণী তৈরি করা। বর্তমানে মানুষের জিন এডিটিংকে সীমা লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হয় এবং ৪০ দেশে এ ধরনের বৈজ্ঞানিক পরীক্ষণ নিষিদ্ধ।

স্টিফেন হকিং মনে করতেন, একদিন এ পদ্ধতিতে সুপারহিউম্যান তৈরি করা হবে। সম্প্রতি প্রকাশিত তাঁর প্রবন্ধ সংকলন ব্রিফ অ্যান্সার টু দ্য বিগ কোয়েশ্চেনস বইতে তা এ ধারণা তুলে ধরা হয়েছে।

তাঁর মতে এ সুপারহিউম্যানরা ক্রমোন্নতি করবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) : ২০১৭ সালে প্রফেসর হকিং ওয়্যার্ড ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৈত্য বোতল থেকে বের হয়ে গেছে। তিনি আশংকা প্রকাশ করেন, এআইয়ের এ প্রতিযোগীতা এক ধরনের কৃত্রিম জীবনের জন্ম দেবে যারা মানুষকে ছাড়িয়ে যাবে।

তাঁর অনুমানের সত্যতা ইতিমধ্যেই দেখতে শুরু করেছেন মানুষ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উৎকর্ষের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর অনুমান সঠিক পথেই যাচ্ছে- এটা বলাই বাহুল্য।

মহাকাশ গবেষণা : হকিং মনে করতেন, মানুষের এখন পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার কথা গুরুত্বের সঙ্গে ভাবা উচিত। নরওয়ের একটি বিজ্ঞান ও শিল্পোৎসবে তিনি বলেন, ‌’অন্যান্য গ্রহে ছড়িয়ে পড়লে হয়তো মানুষ নিজেদের হাত থেকে বাঁচতে পারবে। আমি মনে করি মানুষের এখন পৃথিবী ছাড়া উচিত।’

জলবায়ু পরিবর্তন : বিখ্যাত এ বিজ্ঞানী জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া সমালোচক ছিলেন। প্যারিস চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র বেরিয়ে এলে ব্যক্তিগতভাবে তিনি ব্যথিত হন।

এ সিদ্ধান্তের ব্যাপকতার তুলে ধরতে গিয়ে হকিং বলেন, ট্রাম্পের হটকারি এ সিদ্ধান্ত বিশ্বকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাবে।

এলিয়েনের সঙ্গে সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা ভালো হবে না : হকিং মনে করতেন কোনো এক সময় এলিয়নের সঙ্গে দেখা হলেও অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর হবে না। এলিয়েন পৃথিবীতে এলে ঘটনাটি কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কারের মতো ঘটনা হবে। স্থানীয়দের জন্য বিষয়টি মোটেও স্বস্তিদায়ক হবে না।#দ্য গার্ডিয়ান থেকে

Categories
খবর বিজ্ঞান ও প্রযক্তি

দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের তিন ছাত এর সাইকেল’ আবিষ্কার!

শফিক আহমেদ ভূইয়া /দ্যাটাইমসঅফবিডিডটকম/০১/০৬/১৮

এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ, বদলে যাচ্ছে দৃশ্যপট। সারা দেশেই আড়ালে-আবডালে ঘটে চলেছে অভাবনীয় বিপ্লব। উন্নয়ন-উৎপাদন, প্রযুক্তিতে দেশের ঈর্ষণীয় অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। একের পর এক সম্ভাবনার হাতছানিতে বাংলাদেশ পৌঁছে যাচ্ছে স্বর্ণশিখরে। জিঞ্জিরা শিল্প, ধোলাইখাল ব্র্যান্ড, বগুড়ার ফাউন্ড্রি শিল্পসহ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে ব্যতিক্রমী সাফল্যের পর কৃষিক্ষেত্রেও নীরব বিপ্লব অর্জিত হয়েছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে উদ্ভাবন ও উৎপাদিত ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ দেশের চাহিদা মিটিয়ে এখন বিশ্ববাজারেও ঠাঁই পেয়েছে। সুই, ব্লেড, আলপিন, নাটবল্টু, রেল-বিমানের যন্ত্রাংশ, ফ্লাস্ক, মোবাইল ফোনসেট থেকে শুরু করে সমুদ্রগামী জাহাজ পর্যন্ত তৈরি হচ্ছে দেশে। পাশাপাশি মেধাবী তরুণরা নতুন নতুন আবিষ্কারে দেশকে নিয়ে দাঁড় করাচ্ছে আরেক উচ্চতায়। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, এমনকি লেখাপড়া না জানা তরুণরাও অবিস্মরণীয় সব উদ্ভাবনের মাধ্যমে তাক লাগিয়ে দিচ্ছে।ভোলার এক খুদে বিজ্ঞানী রাজুও তৈরি করেছে জ্বালানিবিহীন মোটরসাইকেল। শতভাগ পরিবেশবান্ধব এ মোটরসাইকেল চলতে কোনো রকম জ্বালানি লাগবে না। মাত্র ১২ টাকা খরচেই পাড়ি দেবে দেড়শ কিলোমিটার পথ। উদ্ভাবনে আরেক ধাপ এগিয়ে গেছেন বগুড়ার যন্ত্রকৌশলী আমির হোসেন। তিনি জ্বালানিবিহীন গাড়ি উদ্ভাবন করেছেন। মাত্র ২৫ টাকার কার্বন খরচ করেই আমির হোসেনের গাড়ি টানা আট ঘণ্টা চলতে পারে, বহন করতে পারে যাত্রী ও মালামাল। গাড়ির ক্ষেত্রে আরও ব্যতিক্রম উদ্ভাবন রয়েছে বাংলাদেশের। ফরিদপুরের স্বল্পশিক্ষিত দরিদ্র হাবিবুর রহমান ইমরান সম্প্রতি এমন এক গাড়ি প্রস্তুত করেছেন, যে গাড়ি জলে-স্থলে সমানভাবে চলাচল করতে পারে। যশোরের চৌগাছার মাদ্রাসাছাত্র ১৭ বছরের তরুণ আবদুল্লাহ আল ফাহিম খেলতে খেলতে রীতিমতো ড্রোন আবিষ্কার করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই খুদে বিজ্ঞানীর তৈরি করা আকাশযানটি রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে উড়ছে দূর আকাশে, দারুণ গতিতে। এভাবেই নিত্যনতুন আবিষ্কারের উল্লাসে মেতে উঠেছে বাংলার তারুণ্য। বিদ্যুৎ ছাড়াই ভাল্ব জ্বালানো, হিমাগার স্থাপন, মোবাইল নিয়ন্ত্রিত হুইল চেয়ার বানানোর পাশাপাশি অভিনব সিকিউরিটি ডিভাইস আবিষ্কারের ক্ষেত্রে মেধার উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখেছেন এ দেশের তরুণ বিজ্ঞানীরা। এখন দরকার শুধু উৎসাহমূলক সহায়তা নিয়ে এসব বিজ্ঞানীর পাশে দাঁড়ানো। সরকারি ন্যূনতম সহায়তায় উদ্ভাবন-আবিষ্কারে নতুন নতুন দৃষ্টান্ত গড়ে ওঠার আশাতেই তাকিয়ে আছে বাংলাদেশ।

১৩ হাজারেই তৈরি সোলার সাইকেল : দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের তিন ছাত্র ‘সোলাল : দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের তিন ছাত্র র সাইকেল’ আবিষ্কার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। দিনের বেলায় এটি সূর্যের আলোয় চার্জ হয়। যদি রাতে চালানো হয় তাহলে রাস্তায় অন্যান্য যানবাহনের হেডলাইটের আলোতেও এটি চার্জ হবে। ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার চলতে সক্ষম এ সাইকেলের দামও যে-কারোর নাগালের মধ্যেই। যদি চলতে চলতে কখনো চার্জ শেষ হয়ে যায় তাহলে স্বাভাবিক সাইকেলের মতো প্যাডেল ব্যবহার করেও চালানো যাবে। এতেও ব্যাটারিগুলো চার্জ হতে থাকবে। সাইকেলটি প্রস্তুত করেন দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পাওয়ার টেকনোলজির ষষ্ঠ পর্বের দ্বিতীয় শিফটের তিন ছাত্র। তারা হলেন শহরের বাসুনিয়াপট্টির মাধব মল্লিকের ছেলে বিজয় মল্লিক (১৮), মাশিমপুরের আবদুস সামাদের ছেলে সাব্বির হোসেন এবং নীলফামারী জেলার বেড়াকুঠির হেমন্ত কুমার রায়ের ছেলে শান্ত কুমার রায় (১৮)। বিজয়, সাব্বির ও শান্তর তৈরি সোলার সাইকেল তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ১৩ হাজার টাকা।

নকল-ভেজাল ওষুধ চেনার সফটওয়্যার : ওষুধশিল্প খাতে দেশ অনেক এগিয়ে গেলেও নকল ওষুধ উৎপাদনে পিছিয়ে নেই অসাধু ব্যবসায়ীরা। আসলের পাশাপাশি নকল ও ভেজাল ওষুধে সয়লাব দেশ। মাঝেমধ্যে প্রশাসনিক অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল-ভেজাল ওষুধ উদ্ধার হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মামলা হয়, জেল-জরিমানাও হয়। কিন্তু নকল ওষুধ প্রস্তুত ও বাজারজাত থামে না। সাধারণ এমনকি সচেতন মানুষজনের পক্ষেও ওষুধে আসল-নকল চিহ্নিত করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। নকল ওষুধ চেনার কঠিন সমস্যার সহজ সমাধান বের করেছেন দেশের দুই সহোদর তরুণ উদ্ভাবক। সৌভিক আসওয়াদ ও সৌমিক আসওয়াদের উদ্ভাবন করা প্রযুক্তি দেশের ওষুধ খাতে একরকম বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। তাদের ‘প্যানাসিয়া’ নামের একটি স্টার্টঅ্যাপের মাধ্যমে ওষুধের গায়ে থাকা নির্দিষ্ট কোডটি ‘২৭৭৭’ নম্বরে এসএমএস করে বা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে আসল-নকল ওষুধ শনাক্ত সম্ভব হচ্ছে।

জলে-স্থলে চলাচল উপযোগী গাড়ি : ফরিদপুরের শিবরামপুর এলাকার দরিদ্র শেখ হাসমত আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান ইমরানের ইচ্ছার গল্প যেন কল্পনাকেও হার মানাচ্ছে। স্বল্পশিক্ষিত হাবিবুর রহমান ইমরান সম্প্রতি একটি গাড়ি তৈরি করেছেন। তার এ গাড়িটি যেনতেন গাড়ি নয়। একই সঙ্গে এ গাড়িটি যেমন চলতে পারে স্থলে, তেমনি চলে পানিতেও। এক বছরের পরিশ্রম ও ২ লাখ ১৮ হাজার টাকা খরচের পর ইমরান এ গাড়ি বানাতে সক্ষম হয়েছেন। এর নাম দিয়েছেন বোট অ্যান্ড কার। গাড়িটিতে ১৫ জন যাত্রী বসতে পারে। সামনের দিকটা বিমানের আদলে তৈরি। গাড়িটিতে রয়েছে টিভি-সিডি। শ্যালো মেশিনের ইঞ্জিন দিয়ে গাড়িটি বানানো হলেও আধুনিক ইঞ্জিন লাগাতে পারলে এতে আরও যাত্রী বহন সম্ভব হবে বলেও দাবি করেছেন হাবিবুর। গাড়িটিতে স্থাপন করা হয়েছে মাছ ধরার যন্ত্র। পানিতে চলার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাছও তুলে আনা যায়। হাবিবুর রহমান ইমরান শুধু গাড়ি আবিষ্কারই নয়, তিনি তৈরি করেছেন বিদ্যুৎ ছাড়া হস্তচালিত পাম্প, ডিম ফোটানো মেশিন ও রিমোট কন্ট্রোল্ড বেবি কার। তার প্রথম তৈরি ব্যাটারিচালিত বেবি কার যুক্তরাষ্ট্রের একটি কোম্পানি নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে প্রাথমিকভাবে ৩০টির অর্ডারও দেয়। কিন্তু টাকার অভাবে গাড়ি বানাতে পারেনি ইমরান।

আমির হোসেনের জ্বালানিবিহীন গাড়ি : তেল-গ্যাস ছাড়াই চলে, আধুনিক সুবিধাসহ এমন গাড়ি তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন বগুড়ার যন্ত্রকৌশলী আমির হোসেন। পরিবেশবান্ধব এই গাড়ির কয়েকটি মডেল এখন চলছে বগুড়া ও সিলেট শহরে। নাম দিয়েছেন ‘রফ-রফ তাহিয়া’, অর্থ হলো ‘সুন্দর ও দ্রুততম যান’। পাঁচ আসনের ২৫০ কেজি ওজনের প্রাইভেটকারটি চলতে তেল-মবিল লাগে না। প্রয়োজন নেই সিএনজিরও। পরিবেশবান্ধব গাড়িটি আরোহীদের নিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে। প্রতি আট ঘণ্টা পর পর শুধু ২৫ টাকা দামের একটি কার্বন বদলাতে হয়। আমির হোসেনের রফ-রফ তাহিয়া তৈরিতে খরচ হয় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা। এ পর্যন্ত দুই রকম কার ও একটি বাসের মডেলে তিনি গাড়ি প্রস্তুত করছেন। অন্যদিকে সিলিন্ডারে শুধু বাতাস ভরেই চালানোর মতো মোটরসাইকেল উদ্ভাবন করেছেন হবিগঞ্জের তরুণ হাফেজ মো. নুরুজ্জামান। জ্বালানি তেল ছাড়াই শুধু হাইড্রোলিক পদ্ধতির গিয়ার বক্স প্রযুক্তিতে একটি সিলিন্ডারের বাতাসেই চলবে এয়ারবাইকটি। একবার বাতাস ভরলেই সাইকেলটি ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে ৪০ কিলোমিটার পথ চলতে পারবে। চট্টগ্রাম শ্যামলী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যয়নরত মো. নুরুজ্জামানের বাড়ি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার রিচি গ্রামে।

বিদ্যুৎ ছাড়াই জ্বলবে বাতি : প্রায় বিনা খরচে বিদ্যুৎ ছাড়াই বাতি জ্বালানোর প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন কাপ্তাই জোনে দায়িত্বরত সেনাবাহিনীর ৭ ইঞ্জিনিয়ার্স ব্যাটালিয়নের প্রকৌশলীরা। তারা মাত্র ৩০ টাকা খরচ করে বিশেষ এক ধরনের ‘সোলার বোতল ভাল্ব’ তৈরি করেছেন, যা বিদ্যুৎ ছাড়াই ৫৫ ওয়াট ভাল্বের সমপরিমাণ আলো দেয়। একটি বোতল বাল্বের কার্যকারিতা থাকবে কমপক্ষে পাঁচ বছর। দুর্গম পার্বত্যাঞ্চল, বড় বড় শহরের বস্তি এলাকা এবং বিভিন্ন কলকারখানা বা গোডাউনে এই পদ্ধতির ভাল্ব বেশি কাজে লাগবে বলে জানান উদ্ভাবক কাপ্তাই সেনা জোনের কর্মকর্তারা।

Categories
বিজ্ঞান ও প্রযক্তি

ডিজিটাল হেলথ প্রযুক্তি!

বৈশ্বিক প্রযুক্তি জায়ান্টরা এখন ডিজিটাল হেলথ প্রযুক্তি খাতে ব্যবসা জোরদারে গুরুত্ব দিচ্ছে। সংশ্লিষ্ট খাতে ব্যবসা সমপ্রসারণে এরই মধ্যে বেশকিছু প্রতিষ্ঠান পৃথক বিভাগ খুলেছে। চলতি বছর সিইএস প্রদর্শনীতে একাধিক প্রতিষ্ঠান তাদের ডিজিটাল হেলথ প্রযুক্তি প্রদর্শন করবে। হেলথ প্রযুক্তি খাতে অ্যাপল এরই মধ্যে জবোন ফিটবিটকে পেছনে ফেলেছে

thetimesofbd.com/27/05/18

Categories
বিজ্ঞান ও প্রযক্তি

কক্ষপথে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট!

 

কক্ষপথে পৌছেছে বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১। উৎক্ষেপনের ১০দিন পর নির্দিষ্ট কক্ষপথের প্রত্যাশিত স্থানে গিয়ে পৌছেছে স্যাটেলাইটটি।

স্যাটেলাইটটি নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে ঠিকঠাক মতো কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে গত ১১মে স্থানীয় সময় বিকাল ৪টা ১৪ মিনিটে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ সফলভাবে উৎক্ষেপন করা হয়। নানা জটিলতায় বেশ কয়েকবার এর উৎক্ষেপন পেছানো হলেও সেদিন সফলভাবে স্পেস-এক্স কোম্পানি আধুনিক ফ্যালকন-৯ রকেটে করে স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপন করে।

বাংলাদেশের গাজীপুর ভূ-উপগ্রহ থেকে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের গতিপথ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

তবে গাজীপুর ভূ-উপগ্রহ থেকে এটির ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা শুরু করতে আরও প্রায় এক মাস লাগবে। এ ধরনের আরেকটি গ্রাউন্ড স্টেশন রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায় স্থাপন করা হলেও সেটি গাজীপুরের গ্রাউন্ড স্টেশনের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে।

সংযোগ স্থাপনের কাজ সরাসরি তদারকি করবে স্যাটেলাইটটি নির্মাণে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থ্যালস অ্যালেনিয়া স্পেসের বিজ্ঞানীরা।

গাজীপুর ও বেতবুনিয়ায় দুই দলে ভাগ হয়ে তারা কাজ করবেন। তাদের সহকারি হিসেবে পাশে থেকে সহায়তা করবেন বাংলাদেশের ১৮ তরুণ।

সূত্র:বাসস

www.thetimesofbd.com