Categories
রূপচর্চা লাইফ

রূপচর্চায় বরফ টুকরার রয়েছে যত উপকারিতা

বেশিরভাগ বাসার ফ্রিজেই বরফ টুকরা সংরক্ষিত থাকে। সাধারণত পানি, শরবত বা অন্য কোনও পানীয়র সঙ্গে বরফ টুকরা মিশিয়ে খেতে অনেকে পছন্দ করেন। রূপচর্চার ক্ষেত্রে বরফ টুকরা বেশ উপকারী। যেমন-

১. ত্বকের বিবর্ণতা, রোদে পোড়া দাগ বা কালচে ভাব দূর করতে বরফের টুকরা খুবই কার্যকরী।সারা দিনের ক্লান্তি বোধ দূর করতেও এটি সাহায্য করে।প্রতিদিন ঘুমানোর আগে ত্বকে বরফ টুকরা ঘষলে ত্বকের ক্লান্তি ভাব কেটে যাবে।

২. ঘুম কম কিংবা বেশি দুই কারণেই অনেকের চোখের নীচে ফুলে যায়, কালি পড়ে। এই সমস্যাও দূর করতে এক টুকরা বরফ পরিষ্কার পাতলা কাপড়ে পেঁচিয়ে চোখের নিচে ফোলা জায়গায় ধরে থাকুন। এতে ফোলা ভাব কমে যাবে।

৩. কোনও কারণে ত্বকে র্যা শ বের হলে আক্রান্ত অংশে এক টুকরা বরফ বা আইস কিউব দিয়ে ভাল করে ঘষে নিন। ত্বকের জ্বালা বা অস্বস্তি বোধ অনেকটাই কমে যাবে।

৪. প্রতিদিন বাইরে থেকে ফিরে ভালো করে মুখ পরিস্কার করে এক টুকরা বরফ হালকা করে ঘষে নিন।এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

Categories
রূপচর্চা লাইফ স্বাস্থ্য

যে সব খাবার ত্বকের ক্ষতি করে

আজকাল মাত্রাতিরিক্ত দূষণের কারণে কমবেশি সবারই চুল ও ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়। এছাড়া আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় থাকা বেশ কিছু খাবারও ত্বকের ক্ষতি করে।যেমন-

১. অতিরিক্ত চিনি দেওয়া খাবার বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে শরীরের মেদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ত্বক শুষ্ক করে তোলে। এর ফলে কপালে, চোখের কোনায় বলিরেখা দেখা দিতে পারে।

২. অতিরিক্ত মাত্রায় লবণ খেলে মুখ ফোলা দেখাতে পারে, থুতনির নিচে মেদ বাড়তে পারে।যুক্তরাষ্ট্রের ‘দ্য ন্যাশনাল হার্ট, লাং অ্যান্ড ব্লাড অ্যাসোসিয়েশন’-এর গবেষকদের মতে, প্রতিদিন ৫০০ মিলিগ্রামের বেশি লবণ খেলে চোখের কোন ফুলে যায়। ফলে মুখও ফোলা দেখায়।

আরও পড়ুন : ডায়াবেটিস বাড়ে যেসব খাবার খেলে

৩. অতিরিক্ত পরিমাণে দুগ্ধজাত খাবার খেলে থুতনির নিচে মেদ জমে। এছাড়া ব্ল্যাকহেডসের সমস্যাও বাড়ে।

৪. গ্লুটেন সমৃদ্ধ খাবার যেমন-ময়দা, পাউরুটি ইত্যাদি অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে ত্বকের ধরণ বদলে যেতে পারে। গালে, কপালে ব্রণ, ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। গ্লুটেন অ্যালার্জির ফলে ত্বকে র্যা শ দেখা দিতে পারে।

৫. অতিরিক্ত অ্যালকোহল বা মদ্যপানের ফলে অনেকের ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। চোখ আর মুখের ফোলা ভাব বেড়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে থুতনির নিচে অতিরিক্ত মেদও জমতে পারে। সূত্র : জি নিউজ

Categories
রূপচর্চা

শরীরের ফাটা দাগ বা স্ট্রেচ মার্ক দূর করার উপায়

অনেকেই  শরীরের ফাটা চামড়া বা স্ট্রেচ মার্কের সমস্যায় ভুগে থাকেন। শরীরের ত্বকে বিভিন্ন অংশে এই ফাটা দাগ গুলো দেখা যায়। আমাদের মতে এই সমস্যা বাড়তি ওজনের জন্য হয়। শরীরের আয়তন যখন বেড়ে যায়, ত্বক তখন স্ট্রেচ করে বাড়তি আয়তনকে ঢাকতে। ফলে তৈরি হয় এই দাগ। আবার গর্ভ পরবর্তী সময়ে নারীদের তলপেটে চামড়ার টানজনিত কারণে এই ধরনের দাগ হয়ে থাকে। এটি ত্বকের উপরে দৃশ্যমানলাইনের মত দেখা দেয়। শরীরের বিভিন্ন অংশে যেমন- পেটের প্রাচীর, কোমর, হাত, ঘাড়, হাটুর পেছনে, উরু এমনকি বুকেও দেখা যায়। স্থুলতা তো অবশ্যই, সাথে গর্ভ ধারণের মত শারীরিক ধকল এবং শরীরে পানি ঘাটতির কারণেও হতে পারে এ ধরনের সমস্যা। কিন্তু আমাদের ত্বকের এই ফাটা দাগ দূরীকরণ এখন আর অসম্ভব কাজ না বরং খুব সম্ভব। জেনে নিন কিভাবে করবেন এই অসম্ভবকে সম্ভব

১. প্রতিদিন ৩ বার ফাটা স্থানের উপর ডিমের সাদা অংশ ৫-১০ মিনিটের জন্য ম্যাসেজ করুন। যতদিন দাগটি নির্মূল না হয় ততদিন এই পদ্ধতিটি শরীরে এ্যাপ্লাই করে যাবেন

২. ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দিনে ৩ বার ফাটা দাগের উপর ম্যাসেজ করুন। ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম না পেলে সাপ্লিমেন্টও নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টটি দিনে ৩ বার খেতে হবে।

৩. শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে লেবুর একটি টুকরা নিয়ে দাগের উপর ১৫ মিনিট ধরে ম্যাসেজ করুন। এতে বেশ উপকার পাওয়া যাবে।

৪. গ্লাইকলিক অ্যাসিডযুক্ত বিভিন্ন বিউটি পণ্য যেমন টোনার, ক্লিনজার ও ময়শ্চারাইজার ইত্যাদি ব্যবহার করুন। এই অ্যাসিড ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

৫. ফাটা দাগ নির্মূলে বিভিন্ন ধরণের তেল মিশিয়ে দাগের উপর প্রতিদিন ১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। উপকার পাওয়া যাবে।

৬. চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে তা প্রতিদিন ফাটা দাগের উপর প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন।

৭. এর জন্য আরেকটি প্রসেজ এ্যাপ্লাই করতে পারেন। এটি হল একটি আলু নিয়ে তা মোটা করে ২ টুকরা করে ফাটা দাগের উপরে কিছুক্ষণ ম্যাসেজ করুন। এর রস ভালো মত লাগলে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন স্থানটি।

৮. ঘৃতকুমারির পাতা নিয়ে এর ভেতর থেকে জেলী সদৃশ অংশটি বের করে দাগের উপরে লাগিয়ে ২ ঘন্টা অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৯. এপ্রিকট ফলের বিচি ফেলে দিয়ে এর পেস্ট বানিয়ে দাগের উপর ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন প্রতিদিন ২ বার।

১০. প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন মাছ, ডিমের সাদা অংশ, দই, বাদাম, সূর্যমুখীর বীজ, তরমুজের বীজ খাবেন। এগুলো আপনার ত্বককে জলযোয়িত রাখবে। শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়তা করবে।

এই ১০ টি কাজ নিয়মিত করলে আপনার ত্বকের ফাটা দাগ অনেকটা কমে আসবে বলে আশাকরি।

Categories
রূপচর্চা

নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহারে কমে ত্বকের ক্যান্সারের ঝুঁকি

দ্যাটাইমসঅফবিডি.কম: যারা নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করে তাদের ত্বকের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে বলে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতি বছর বিশ্বের প্রায় ২০ থেকে ৩০ লাখ মানুষ ত্বকের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। মেলেনোমা ক্যান্সারে আক্রান্তের পরিমাণ প্রতিনিয়ত বাড়ছে এবং সরাসরি সূর্যের আলোর সংস্পর্শে এলে এই ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

সবার পক্ষে নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা সম্ভব না। নারী, কমবয়সী ছেলে-মেয়ে এবং যুক্তরাজ্য ও উত্তর ইউরোপের মানুষ ও শিক্ষিত কিংবা ত্বকের সমস্যা আছে এমন মানুষদের মধ্যেই সাধারণত নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহারের অভ্যাস দেখা যায়।

অন্যদিকে পুরুষ, বৃদ্ধ, স্বল্প শিক্ষিত বা শক্ত ত্বকের মানুষদের মধ্যে সানস্ক্রিন ব্যবহারের প্রচলন সাধারণত কম। এছাড়া যাদের গয়ের রঙ কালো তাদের মধ্যেও সানস্ক্রিন ব্যবহারের প্রচলন কম।ফলে এসব মানুষের ত্বকে সানবার্নের সম্ভাবনা থাকে সবচেয়ে বেশি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই গবেষণার জন্য ১৮-৪০ বছর বয়সী ১ হাজার ৭০০ জন মানুষদের ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়।

গবেষণায় প্রমাণ হয়েছে, সানস্ক্রিন সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করে এবং কম বয়সে মেলেনোমা এবং অন্যান্য ত্বকের সমস্যার সম্ভাবনা দূর করে।

Categories
রূপচর্চা

জনসনের ব্যবহার আজই বন্ধ করুন,জনসনে হবে ক্যান্সার,জরিমানা ৩৯ হাজার কোটি।

দ্যাটাইমসঅফবিডি.কম:  আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির ট্যালকম পাউডার ব্যবহারে ওভারিয়ান ক্যান্সার শরীরে বাসা বেঁধেছে; এমন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ওই ২২ নারীকে প্রাথমিকভাবে ৫৫০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে জনসন অ্যান্ড জনসনকে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের আদালত।

এছাড়াও আরো ৪ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার দিতে হবে শাস্তিমূলক ক্ষতিপূরণ হিসেবে।

আদালতের কাছে নারীদের অভিযোগের পক্ষে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ওভারিয়ান ক্যান্সারবিষয়ক দাতব্য সংস্থা ওভাকাম।

সংস্থাটি বলছে, নারীদের যৌনাঙ্গে ট্যালকম পাউডার ব্যবহারের কারণে ওভারিয়ান ক্যান্সার তৈরির ঝুঁকি রয়েছে বলে তারা বেশ কয়েক বছর উদ্বেগ প্রকাশ করে এসেছে। তবে তাদের এই শঙ্কা গবেষণায় প্রমাণিত হয়নি এবং এ বিষয়ে আরো গবেষণা প্রয়োজন।

জনসন এ অভিযোগে এখন পর্যন্ত যতগুলো মামলার মুখোমুখি হয়েছে তার মধ্যে এবারই সর্বোচ্চ পরিমাণ ক্ষতিপূরণের নির্দেশ পেলো।

জনসন অ্যান্ড জনসন বলছে, তারা আদালতের এই রায়ে গভীরভাবে হতাশ এবং রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার পরিকল্পনা করছে।

আদালতে গত ছয় সপ্তাহ ধরে চলা শুনানিতে জীবিত থাকা ১৬ নারী ও ৬ মৃত নারীর পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, কয়েক দশক ধরে জনসনের বেবি পাউডার ও ট্যালকম পণ্যসামগ্রী ব্যবহারের কারণে তাদের শরীরে ওভারিয়ান ক্যানসারের সৃষ্টি হয়েছে।

নারীদের আইনজীবীরা অভিযোগ করেন, জনসনের ট্যালকম পণ্যে যে অ্যাসবেস্টসের দূষণ রয়েছে তা ১৯৭০ সাল থেকেই কোম্পানি অবগত আছে; কিন্তু এরপরও তারা পণ্য ব্যবহারের ঝুঁকি সম্পর্কে ভোক্তাদের সাবধান করতে ব্যর্থ হয়েছে।

ট্যালকম পাউডার তৈরির প্রধান উপাদান ট্যালক, যার রাসায়নিক নাম ম্যাগনেসিয়াম সিলিকেট; এটি প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে নরম খনিজ পদার্থ।

এদিকে, ২০০৯ ও ২০১০ সালে মার্কিন ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জনসন অ্যান্ড জনসন-সহ আরো বেশ কয়েকটি কোম্পানির পাউডারের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা চালায়। পরে এই পরীক্ষায় জনসনের পাউডারে অ্যাসবেস্টস পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়।

আদালতকে আইনজীবীরা বলেন, জনসন অ্যান্ড জনসন এবং ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগ ত্রুটিপূর্ণ পদ্ধতি ব্যবহার করে পরীক্ষা চালিয়েছে।

এরপর গত বছর, একই ধরনের অভিযোগকারী এক নারীকে চারশ ১৭ মিলিয়ন (৪১ কোটি ৭০ লাখ) ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য জনসন অ্যান্ড জনসনকে নির্দেশ দেয় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আদালত। একই বছর মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের এক জুরি বোর্ড জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত এক নারীকে ১১০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে জনসন অ্যান্ড জনসনকে নির্দেশ দেয়।

২০১২ সালে ভার্জিনিয়ার ৬২ বছরের নারী লইস স্লেম্প জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত বলে ধরা পড়ে। এরপর তিনি কোম্পানিটির বিরুদ্ধে মামলা করেন। তিনি অভিযোগ করেন, বেবি পাউডার ও গোসলের বিভিন্ন প্রসাধন ব্যবহারে ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার কথা গোপন করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন। তার আগেও একই ধরনের বেশ কয়েকটি মামলায় জরিমানার মুখে পড়ে কোম্পানিটি।

এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগে দায়ের হওয়া আরো অন্তত ৯ হাজার অভিযোগ আদালতে ঝুলছে। এর মধ্যে শিশুদের জন্য জনসনের তৈরি পাউডারের বিরুদ্ধেও মামলা রয়েছে।

উইকিপিডিয়া বলছে, এতে রয়েছে অ্যাসবেস্টস; অ্যাসবেস্টস হল প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত ছয় সিলিকেট খনিজের একটি সেট। যা তার সুবিধাজনক প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যর কারণে বাণিজিকভাবে ব্যবহৃত হয়। রেশম ও পশমের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে এই খনিজের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অনেক মিল দেখা যায়।

অ্যাসবেস্টস আঁশের দীর্ঘায়িত শ্বসন ফুসফুসের ক্যান্সার, মেসোথেলিয়মা, এবং অ্যাসবেস্টস এর মত গুরুতর অসুস্থতার সৃষ্টি করতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন অ্যাসবেস্টসের সকল প্রকার নিষ্কাশন, উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে।

জনসন অ্যান্ড জনসন তাদের পণ্যে অ্যাসবেস্টস থাকার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, তাদের পণ্য ব্যবহারে ক্যান্সার হওয়ার শঙ্কা নেই। প্রতিষ্ঠানটি আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে জানিয়ে বলছে, কারণ তারা বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে ওই পাউডার তৈরি করছে।

জনসনের আইনজীবী বলেন, বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে তাদের ট্যালকম পাউডার নিরাপদ এবং পণ্যে ক্যান্সার ছড়ানোর মত ক্ষতিকারক কোনো উপাদান নেই। একই সঙ্গে আদালতের বিচারপ্রক্রিয়া অন্যায্য বলেও দাবি করেছে মার্কিন এই বহুজাতিক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান।

আমাদের দেশে হার হামেশাই বিক্রি হচ্ছে জনসন এন্ড জনসনের পণ্য।শিশুদের পণ্য মানেই তো জনসন।কিন্তু আপনি কি জানেন ২০০৯ সাল থেকে প্রায় প্রতি বছর বিভিন্ন মামলায় আদালত কর্তৃক জরিমানা স্বীকার হচ্ছে এই কোম্পানিটি।মার্কিন আদালতে জরিমানার স্বীকার হলেও আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে ঠিকই এক চেটিয়া ব্যবসা করে যাচ্ছে এ কোম্পানি। জনসন পণ্য ব্যবহারে এখনিই সতর্ক হোন।