Categories
লাইফ

এখন জ্বর হলে যা করবেন

জ্বর হচ্ছে যে কোনো রোগের উপসর্গ। তবে জ্বর করোনাভাইরাসের উপসর্গ হওয়ার কারণে এখন জ্বর হলে অনেকে ভয়ে থাকেন। তবে জ্বর হলেই ভয়ের কারণ নেই।

মেডিসিন ও ডায়াবেটিস রোগ বিশেষজ্ঞ কনসালট্যান্ট (সিটি স্কিন সেন্টার, শান্তিনগর, ঢাকা) ডা. ফাহিম আহমেদ রুপম যুগান্তরকে বলেন, মনে রাখবেন জ্বর মানেই করোনাভাইরাস নয়। তাই অহেতুক দুশ্চিন্তা না করে জ্বর সারিয়ে তোলার চেষ্টা করতে হবে।

আসুন জেনে নিই এ সময় জ্বর হলে কী করবেন-
১. জ্বর হলে তরল খাওয়াসহ প্রচুর পানি পান করতে হবে। জ্বর হলে শরীরে ঘামার কারণে পানির চাহিদা বেড়ে যায়। জ্বর এলে স্যুপ, ডাবের পানি, আখের রস খাওয়ার চেষ্টা করুন।

২. যে কোনো অসুখ থেকে সুস্থ হতে বিশ্রামের বিকল্প নেই। জ্বর এলে কাজ না করে বিশ্রাম নিন। এ সময়ে পর্যাপ্ত ঘুম প্রয়োজন।

৩. শরীরের প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হলো জিঙ্ক। জ্বরের সময়ে জিঙ্কসমৃদ্ধ খাবার খেলে জ্বর দ্রুত ভালো হয়। এ ছাড়া শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে ফ্লুর ভাইরাস রোধে জিঙ্ক সাহায্য করে। এ ছাড়া ভিটামিন সি ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খান।

৪. এ সময় লবণপানিতে গার্গল করলে উপকার পাবেন। গলায় যন্ত্রণা, কাশি হলে নিয়মিত লবণপানিতে গার্গল করুন। লবণপানি অ্যান্টিবায়োটিক। ফলে এটি ফ্লু বা জ্বর থেকে মুক্তি দেবে।

৫. নাক বন্ধ বা মাথাব্যথা হলে গরমপানির ভাপ নিতে পারেন। গলার মধ্য দিয়ে যে গরম বাষ্প প্রবেশ করলে কাশি ও গলাব্যথা কমবে।

Categories
লাইফ

ডার্ক ওয়েবে বিক্রি হল ট্রুকলারের ৫ কোটি তথ্য

এবার ডার্ক ওয়েবে বিক্রি হল প্রায় ৫ কোটি ট্রুকলার ব্যবহারকারীর তথ্য। এই পরিমাণ তথ্যের মূল্য রাখা হয়েছিল ৭৫,০০০ টাকা।

যদিও ট্রুকলার এই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, তাদের ডেটাবেসে কোন রকম ডেটা লিক হয়নি।

সাইবার সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠান সাইবল একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১৯-র বিভিন্ন ব্যবহারকারীর ট্রুকলার ডেটা তাদের শহর, রাজ্য, মোবাইল নেটওয়ার্ক ক্যারিয়ারসহ ডার্ক ওয়েবে লিক করা হয়েছে। এছাড়াও তাদের ইমেইল আইডি, তাদের নাম, ফোন নম্বর, ফেসবুক আইডি সব তথ্য ওই তালিকায় রয়েছে।

সাইবল তাদের ব্লগপোস্টে লিক হয়ে যাওয়া তথ্যের একটি তালিকাও তুলে ধরেছে। তারা জানিয়েছে, এই সব তথ্য ব্যবহার করে জালিয়াতরা বিভিন্ন ধরনের স্প্যাম কল, ব্যাংক জালিয়াতি সহ বিভিন্ন ধরনের স্ক্যাম করতে পারে।

যদিও ট্রুকলার পক্ষ থেকে এই দাবি সম্পূর্ণরূপে ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয়েছে। তারা জানিয়েছে যে, আমাদের ডেটাবেস থেকে কোন রকম তথ্য ফাঁস হয়নি। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের তথ্য সম্পূর্ণরূপে গোপন রাখতে বদ্ধপরিকর। ইন্টারনেটে যে কোন জায়গা থেকেই এরকম তথ্য সংগ্রহ করে তার উপর ট্রুকলারের ছাপ দিয়ে তাকে সত্যি প্রমাণ করা যায় না।

গত বছরের মে মাসেও এরকম একটি তথ্য আমাদের সামনে এসেছিল। ট্রুকলারের ছাপ দিলে যেকোনো তথ্য জালিয়াতদের কাছে বিক্রি করতে বেশি সুবিধা হয় এই কারণেই তারা এই পন্থা অবলম্বন করে।

তাই আমরা আমাদের ব্যবহারকারী দিয়ে জানাতে চাই, আমাদের দিক থেকে কোনরকম ত্রুটি হয়নি। আমরা আপনাদের ডেটা সব সময় সুরক্ষিত রাখছি।

Categories
লাইফ

সৌদিতে ঈদ রবিবারে

পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় সৌদি আরবে আগামী ২৪ মে, রবিবার পালিত হবে ঈদুল ফিতর। সেইসাথে মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ দেশেও একই দিনে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এ উৎসবটি উদযাপিত হবে।

নভেল করোনাভাইরাসের কারণে বাকি বিশ্বের মতো সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে মুসলিম দেশগুলোও। যে কারণে অনেক দেশেই পড়া যায়নি রমজানের তারাবি নামাজ।

এদিকে একই কারণে ঈদের জামাত আদায় না করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে তাদের আশেপাশের কিছু দেশ একেবারেই সীমিতভাবে ঈদের নামাজ আদায়ের নির্দেশনা দিয়েছে। আগত মুসুল্লিদের সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতেরও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

Categories
লাইফ

নবীজী (সা.) যেভাবে ভুল সংশোধন করে দিতেন

আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, একদিন এক বেদুইন দাঁড়িয়ে মসজিদে প্রস্রাব শুরু করল। উপস্থিত লোকজন দেখে তাকে বাধা দিতে যাচ্ছিল। কিন্তু প্রিয় নবী (সা.) তাদের বললেন, ওকে ছেড়ে দাও। ওর প্রস্রাব শেষ হলে এক বালতি পানি ঢেলে দিয়ো। নিশ্চিতভাবে জেনে রেখো, তোমাদের সহজ ও বিনয়ী আচরণ করার জন্য পাঠানো হয়েছে, কঠোরতা বা উগ্রতার জন্য পাঠানো হয়নি।  (বোখারি শরিফ: ২২০)উপরোক্ত হাদিসে দুটি বিষয় লক্ষণীয়। প্রস্রাবরত বেদুইনকে প্রস্রাবে বাধা দেয়া অথবা তাকে তার কাজ করতে দেয়া। যদি তাকে থামিয়ে দেয়া হতো, তাহলে প্রস্রাব আটকে রাখায় তার শারীরিক ক্ষতি হতো। উপরন্তু এতে মসজিদের আরও বেশি জায়গাজুড়ে নাপাকি ছড়িয়ে পড়তে পারত। রাসুলুল্লাহ (সা.) তার দূরদৃষ্টি দ্বারা এই বিষয়গুলো বুঝতে পেরেছিলেন, তাই তিনি উপস্থিত সাহাবীদের তাকে বাধা দিতে বারণ করেছিলেন। ফলে লোকটিও স্বস্তিতে তার ‘কাজ’ শেষ করতে পারল ও নাপাকিও ছড়িয়ে পড়ল না। আর লোকটি প্রস্রাব শেষ করার পর নাপাকিযুক্ত স্থানটি শনাক্ত করে পানি ঢেলে সহজেই নাপাকি দূর করা গেল।আর প্রস্রাব শেষ করার পর রাসুলুল্লাহ (সা.) বেদুইন লোকটিকে ডেকে শান্তভাবে বুঝিয়ে বললেন, দেখ! মসজিদে প্রস্রাব অথবা পায়খানা করা যায় না। মসজিদ আল্লাহতায়ালার ইবাদাতের জায়গা। এখানে সালাত আদায় করা হয়, কোরআন তিলাওয়াত করা হয় ও আল্লাহর জিকির করা হয়। ইবনে হাজার আসকালানী (রহ.) তার লেখা বোখারির ব্যাখ্যাগ্রন্থে বলেছেন, উপরোক্ত হাদিস থেকে বেশ কয়েকটি শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে। তন্মধ্যে দুটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। যেমন-* অজ্ঞতাবশত কেউ কোনো ভুল করলে, তাকে সেই ভুলের জন্য তিরস্কার না করে বরং বুঝিয়ে বলা উচিত। তার ভুলের কারণটি তাকে ব্যাখ্যা করা উচিত। * ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তিরস্কার না করে ভদ্রভাবে বুঝিয়ে বলাই মহত্ত্ব।ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, তাবুক অভিযানের সময় এক লোক রাসুলুল্লাহ সা.-এর দিকে ইঙ্গিত করে বলল, আমি আমাদের ধর্মীয় শিক্ষকদের চেয়ে অধিক খাদ্যলোভী, মিথ্যাবাদী ও কাপুরুষ আর কাউকে দেখিনি। আওফ বিন মালিক (রা.) ওই লোককে উদ্দেশ্য করে বললেন, তুমি মিথ্যা বলছ। তুমি তো মুনাফিক হয়ে গেছ। আমি এখনই রাসুলুল্লাহ সা.-এর কাছে গিয়ে সব বলে দিচ্ছি। আওফ (রা.) রাসুলুল্লাহ সা.-এর কাছে গিয়ে দেখলেন, ইতিমধ্যে রাসুলুল্লাহ সা.-এর কাছে এ ব্যাপারে ওহী নাজিল হয়েছে, আর ওই লোকটিও রাসুলুল্লাহ সা.-এর কাছে এসে হাজির হয়েছে। লোকটি বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আমরা তো সফরে সময় কাটানোর জন্য মজা করছিলাম। আওফ (রা.) রাসুলুল্লাহ সা.-এর কাছে গিয়ে দেখলেন, ইতিমধ্যে রাসুলুল্লাহ সা.-এর কাছে এ ব্যাপারে ওহী নাজিল হয়েছে, আর ওই লোকটিও রাসুলুল্লাহ সা.-এর কাছে এসে হাজির হয়েছে। লোকটি বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আমরা তো সফরে সময় কাটানোর জন্য মজা করছিলাম। ইবনে উমর (রা.) বলেন, আমার কাছে মনে হল যেন লোকটি রাসুলুল্লাহ সা.-এর উটের লাগামের সঙ্গে ঝুলে ছিল আর তার পায়ে প্রস্ত্ররাঘাত করা হচ্ছিল। এবং সঙ্গে সঙ্গে লোকটি বলছিল, আমরা সফরে সময় কাটানোর জন্য মজা করছিলাম। তখন রাসুলুল্লাহ সা. নিম্নের আয়াতটি তিলাওয়াত করছিলেন, অর্থাৎ ‘(হে নবী আপনি) বলে দিন, তোমরা কি আল্লাহ, তার আয়াতসমূহ ও তার রাসূলকে নিয়ে ঠাট্টা করছিলে?’ (সুরা তাওবা: ৬৫)এখান থেকে বোঝা গেল, এহেন ঘৃণ্য অপবাদের প্রতিবাদও রাসুলুল্লাহ সা. কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে করেছিলেন। এতে করে ওই লোকটি বুঝতে পেরেছিল যে, আল্লাহ ও আল্লাহর রাসুল সা. ঠাট্টা-বিদ্রূপের অনেক ঊর্ধ্বে।অথচ সেখানে রাসুলুল্লাহ সা.-এর জায়গায় অন্য কেউ হলে সংশ্লিষ্ট অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠিনতম প্রতিশোধ নিতেও দ্বিধাবোধ করত না। রাসুলুল্লাহ সা. ভুল শোধরাতে গিয়ে ভুলকারীর সঙ্গে কখনোই অশোভন আচরণ করতেন না; বরং নম্রভাবে তাকে বুঝিয়ে দিতেন। এতে করে ভুলকারী প্রকৃতপক্ষেই লজ্জিত হতো, আর ভবিষ্যতে একই ভুল দ্বিতীয়বার আর করত না।
ইসলামওয়েব.নেট থেকে অনূদিত

Categories
লাইফ

ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ইতিকথা

কিশোরগঞ্জ প্রতিবেদক :

আধূনিক স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত পাগলা মসজিদটি নানা ধরণের ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থাপনা হিসেবে খ্যাত। জনশ্রুতি আছে যে, পাগলবেশী এক আধ্যাত্মিক পুরুষ খরস্রোতা নরসুন্দা নদীর মধ্যস্থলে মাদুর পেতে ভেসে এসে বর্তমান মসজিদের কাছে স্থিত হন এবং তাঁকে ঘিরে আশেপাশে অনেক ভক্তকূল সমবেত হন। উক্ত পাগলের মৃত্যুর পর তাঁর সমাধির পাশে পরবর্তীতে এই মসজিদটি গড়ে উঠে তাই কালক্রমে এটি পাগলা মসজিদ নামে পরিচিত হয়। মসজিদটি শুধু ইসলাম ধর্মাবলম্বীর কাছেই নয়, সকল র্ধমাবলমবীর কাছে অত্যন্ত পবিত্র ধর্মীয় কেন্দ্র হিসেবে পরিগণিত। অনেকের বদ্ধমূল বিশ্বাস যে, কেহ সহি নিয়তে এ মসজিদে দান খয়রাত করলে তার ইচ্ছা পূর্ণ হয়।

মসজিদটি কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া নামক এলাকায় অবস্থিত। শহরের যেকোনো স্থান থেকে রিক্সাযোগে মসজিদে যাওয়া যায়।

জনশ্রুতি আছে যে, পাগলবেশী এক আধ্যাত্মিক পুরুষ খরস্রোতা নরসুন্দা নদীর মধ্যস্থলে মাদুর পেতে ভেসে এসে বর্তমান মসজিদের কাছে স্থিতু হন এবং তাকে ঘিরে আশেপাশে অনেক ভক্তকূল সমবেত হন। ওই পাগলের মৃত্যুর পর তার সমাধির পাশে পরবর্তীতে এই মসজিদটি গড়ে উঠে। ফলে কালক্রমে মসজিদটি ‘পাগলা মসজিদ’ নামে পরিচিত পায়।

এই মসজিদটি শুধু ইসলাম ধর্মাবলম্বীর কাছে নয়, বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও এর আশেপাশের অঞ্চলে সব ধর্মাবলম্বীর কাছে অত্যন্ত পবিত্র ধর্মীয় স্থান হিসেবে পরিগণিত। মানুষের বদ্ধমূল বিশ্বাস, যে কেউ একনিষ্ঠ নিয়তে এ মসজিদে কিছু দান-খয়রাত করলে তার ইচ্ছা পূর্ণ হয়। ফলে সাধারণ মানুষ এমন বিশ্বাসের আলোকে পাগলা মসজিদে প্রচুর দান-খয়রাত করে থাকেন।

পাগলা মসজিদ বর্তমানে অনেক সম্প্রসারিত। প্রথমে হয়বতনগর দেওয়ানবাড়ির ওয়াকফকৃত ভূমির পরিমাণ ছিল ১০ শতাংশ। বর্তমানে এর পরিমাণ ৩ একর ৮৮ শতাংশ। মসজিদের ব্যয়ে ২০০২ সালে মসজিদের পাশেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে একটি হাফেজিয়া মাদরাসা। মসজিদটি পরিচালিত হয় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে।

ঐতিহাসিক এই মসজিদের দান-খয়রাতের সিন্দুক খোলা হয় তিন মাস পরপর। গতকাল শনিবার (২৩ মে, ২০১৫) সকালে পাগলা মসজিদের ৪টি সিন্দুক খোলা হয়। এতে নগদ ৫৮ লাখ ৯৪ হাজার ৩শ’ ২৫ টাকাসহ প্রচুর স্বর্ণ অলংকার পাওয়া গেছে। সে হিসেবে দেখা যাচ্ছে, টাকাসহ বিভিন্ন দানকৃত জিনিসপত্র থেকে প্রতিদিন মসজিদটির আয় গড়ে দেড় লাখ টাকা। মাসে ৪৫ লাখ টাকা, আর বছরে মোট আয় প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা।

দেশের অন্যতম আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত মসজিদটিকে সম্প্র্রতি পাগলা মসজিদ ইসলামি কমপ্লেক্স নামকরণ করা হয়েছে। এ মসজিদের আয় দিয়ে কমপ্লেক্সের বিশাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া মসজিদের আয় থেকে বিভিন্ন সেবামূলক খাতে অর্থ সাহায্য করা হয়।

Categories
লাইফ

ফোন করলে ডাক্তার চলে আসবে রোগীর বাসায়

করোনা প্রার্দুভাবের পর এলাকার ২০ জন ছিন্নমূল মানুষকে হোম কোয়ারেন্টিনের পাশাপাশি খাবার ও চিকিৎসাসেবা দেন শফিকুল ইসলাম বাছেক। পরে নিজ উদ্যোগে পাঁচ হাজার দুই শ পরিবারের ঘরে খাদ্রসামগ্রী পৌঁছে দেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের এই কাউন্সিলর।করোনা প্রার্দুভাবের পর এলাকার ২০ জন ছিন্নমূল মানুষকে হোম কোয়ারেন্টিনের পাশাপাশি খাবার ও চিকিৎসাসেবা দেন শফিকুল ইসলাম বাছেক।

পরে নিজ উদ্যোগে পাঁচ হাজার দুই শ পরিবারের ঘরে খাদ্রসামগ্রী পৌঁছে দেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের এই কাউন্সিলর।কোভিড-১৯ ঠেকাতে এবার তিনি এলাকার বাসিন্দাদের জন্য নিয়ে এসেছেন ‘কুইক ডাক্তার’।

তাৎক্ষণিকভাবে এ সেবা পেতে খোলা হয়েছে দুটি হটলাইন।কাউন্সিলর জানান, করোনায় ওয়ার্ডবাসীকে ঘরে রাখতেই তার এই ব্যক্তি উদ্যোগ। এ সেবা পেতে ফোন করতে হবে- ০১৬৮৬ ৩৩৯২৮৮ ও ০১৬৭৬ ৬২১৭৫৯ এই দুটি নাম্বারে।ফোন পেয়েই রোগীর বাসায় সেবা দিতে ডাক্তার চলে যাবেন।শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডাক্তারের কাছে এবার আর রোগীকে আসতে হবে না। রোগীর কাছেই ডাক্তার চলে যাবেন।

এজন্য যাবতীয় সব খরচের ব্যবস্থা আমি করব। রোগী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ঘরে বসে চিকিৎসা সেবা পাবেন। এই উদ্যোগটা সহজ হয়েছে আমার কিছু ডাক্তার সার্কেলের কারণে। আমার বন্ধুবর সব ডাক্তারের সহায়তায় উদ্যোগটি চালু করেছি। আশা করি এখন আর কেউ বাসার বাইরে বের হবেন না।’কাউন্সিলর বলেন, আমি এলাকায় প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার প্যাকেট ত্রাণ দিয়েছি। আমি সবাইকে ত্রাণ দিয়েছি, তাতে এমন কেউ নাই যে ত্রাণ পান নাই।

প্রসঙ্গত, বাছেক করোনা ছড়িয়ে যাওয়ার পর থেকে এলাকার প্রতিটি অলি-গলিতে এবং মসজিদে নিজে জীবাণুনাশক স্প্রে করেছেন। করোনাভাইরাস সম্পর্কে বাসিন্দাদের সচেতন করতে ওয়ার্ডটির বিভিন্ন পয়েন্টে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ২০ হাজার হ্যান্ড সেনিটাইজার বিতরণ করা হয়েছে।

Categories
লাইফ

বাজার থেকে কেনা জিনিসেও থাকতে পারে করোনা : বাঁচবেন যেভাবে

করোনায় কাঁপছে সারা বিশ্ব। মারণ ভাইরাস করোনার থাবা বসিয়েছে বাংলাদেশেও। যার জেরে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত এবং আক্রান্তের সংখ্যা। এমন পরিস্থিতিতে অচেনা এই শত্রুকে প্রতিরোধ করতে হবে আপনাকেই। কারণ নিজেরা যতো বেশি সচেতন হব ততোই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠবে আমাদের মধ্যে। 

ওষুধ ও পণ্যদ্রব্য কিনতে বাড়ির বাইরে বের হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। কারণ আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের গরীব দেশে অধিকাংশ মানুষেরই সামর্থ্য নেই মুদিখানা দ্রব্য থেকে শুরু করে বেশি করে সবজি আলু, চাল-ডাল ঘরে মজুত রাখবেন। আর এর ফলে কিছু মানুষকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে বাড়ির বাইরে পা রাখতেই হচ্ছে।

এই অবস্থায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাজার করা এবং বাইরে থেকে জিনিসপত্র কিনে আনার পর আপনার এবং প্রিয়জনদের স্বার্থে অবশ্যই কিছু সুরক্ষা বিধি মেনে চলুন। যদি তাতে কিছুটা হলেও সংক্রমণের বিরুদ্ধে জয়লাভ করতে পারি আমরা। বাজার করার পর কি কি করণীয় সেই বিষয়ে আপনার জন্য রইল কিছু টিপস। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী মেনে চলুন এইসব স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সতর্কতা বিধি।

১. বাজার করুন সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে। মনে রাখবেন, যখন জিনিসপত্র কিনবেন তখন আপনার এবং বিক্রেতার মধ্যে অন্তত দুই মিটার দূরত্ব বজায় থাকে। এতে সংক্রমণের আশঙ্কা কম থাকে।

২. বাড়ি এসে নির্দিষ্ট স্থানে রাখুন বাজারের ব্যাগ। এরপর অন্তত ২০ সেকেন্ড ভালো করে হ্যান্ড স্যানিটাইসার বা জীবাণুনাশক দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন।

৩. এছাড়াও রান্নার আগে এবং পরে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।

৪. সব থেকে বড় বিষয় হলো, বাজারের দোকানে প্রায় সকলেই হাত দিয়ে বেছে দেখে শুনে কেনেন। এতে জীবাণুর সংক্রমণের ভয় থেকে যায়। ফলে বাজার থেকে সবজি কেনার পর তা কাটার আগে ভালো করে লবণ ও গরম পানিতে ধুয়ে নিন। এছাড়াও এই সময় খাবার ভালো করে সিদ্ধ ও ফুটিয়ে খাওয়া জরুরি।

৫. বাজারের ব্যাগ নির্দিষ্ট জায়গায় রাখুন। প্রতিদিনই বাজারের ব্যাগটি ধুয়ে ফেলার অভ্যাস করুন। নাহলে হিতে বিপরীত কিছু ঘটে যেতে পারে। 

৬. বাইরে থেকে ঘরে আসার পর অবশ্যই ভালো করে গোসল করে ফেলুন। এছাড়াও এই মুহূর্তে ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কার্ডে পেমেন্ট এড়িয়ে চলুন। ক্যাশের কাজ চালান। অবশ্যই টাকা পয়সা লেনদেনের পর হাত অ্যালকোহল যুক্ত ভালো জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৭. বাড়ির নির্দিষ্ট এক জনকে দিয়েই বাজার করান। এই সময় বাড়ির বয়স্ক সদস্যদের দিয়ে বাজার করা এড়িয়ে চলুন। কারণ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে আসে। এই অবস্থায় কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তা যথেষ্ট চিন্তার বিষয়।

Categories
লাইফ

কথাবার্তা ও স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাসেও করোনা ছড়াতে পারে

কথাবার্তা ও স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাসেও করোনা ছড়াতে পারে।


স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাস ও কথাবার্তার মধ্য দিয়ে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঘটতে পারে। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের এক শীর্ষ বিজ্ঞানী এমন দাবি করেছেন।

এরপর থেকে লোকজনকে মাস্ক পরে ঘরের বাইরে যেতে পরামর্শ দিতে শুরু করেছে দেশটির সরকার। এমন এক সময় এই পরামর্শ দেয়া হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রে রেকর্ডসংখ্যক লোক অর্থাৎ একদিনে প্রায় এক হাজার ৫০০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।- খবর এএফপির

ভাইরাসটি যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে, তাতে আপাতত প্রশমনের কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। গত বছরের শেষ দিনে চীনের হুবেই প্রদেশের উহানের একটি সামদ্রিক খাবারের মার্কেট থেকে প্রথম ছড়ায় এই বৈশ্বিক মহামারী।

এখন পর্যন্ত ১১ লাখ লোক কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে প্রায় ষাট হাজারের মতো মানুষের। মৃতের সংখ্যার সিংহভাগই ইউরোপের বাসিন্দা। সবচেয়ে কঠিন আঘাত হেনেছে ইতালি ও স্পেনে।

কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রেও করোনা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটছে। ভাইরাসের আকাশছোঁয়া গতির লাগাম ধরতে সাধারণ মাস্ক ও স্কার্ফ পরতে শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন পরামর্শ দিয়েছে নাগরিকদের।

ট্রাম্প বলেন, মাস্ক পরবেন কিনা, সেই সিদ্ধান্ত স্বেচ্ছায় নিতে হবে। আপনাকে বাধ্য করা হচ্ছে না। যেমন আমি এটা পছন্দ করছি না। কিন্তু কেউ কেউ এটা পছন্দ করছেন। তাদের ক্ষেত্রে সেটা ঠিক আছে।

মার্কিন জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সংক্রামক রোগ বিষয়ক প্রধান অ্যান্থনি ফাউসি বলেন, হাঁচি-কাশির পরিবর্তে লোকজন কথা বলার সময়েও এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্কতার সঙ্গে বলল, কয়েকটি মেডিকেল চিকিৎসার সময় কেবল বাতাসবাহিত হুমকির বিষয়টি সামনে আসছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে ইতিমধ্যে মাস্কের সংকট দেখা দিয়েছে। কজেই মার্কিন পরামর্শের পর সেই সংকট আরও ঘনীভূত হবে। মাস্ক আমদানির ক্ষেত্রে দুই দেশই ব্যাপকভাবে চীনের ওপর নির্ভরশীল।

সাম্প্রতিক গবেষণার সংক্ষিপ্তাসর নিয়ে গত ১ এপ্রিলে হোয়াইট হাউসে একটি চিঠি পাঠিয়েছে ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস (এনএএস)। তাতে বলা হয়েছে, যদিও এই গবেষণা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। স্বাভাবিক শ্বাসপ্রক্রিয়ায় ভাইরাসের এয়ারোসলিজাইজেশনের সঙ্গে ভাইরাসের ফলাফলের সামঞ্জস্য রয়েছে।

এখন পর্যন্ত মার্কিন স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো বলছে, শ্বাসপ্রশ্বাসের সময় নিঃসৃত তরল ফোঁটা থেকে প্রাথমিকভাবেই এই ভাইরাসের বিস্তার ঘটছে। অসুস্থ ব্যক্তির হাঁচি-কাশির সময় নির্গত তরল বিন্দু থেকে এটা ছড়াচ্ছে। এগুলো প্রায় এক মিটার দূরে গিয়ে মাটিতে পড়তে পারে।

নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে প্রকাশিত এনআইএইচ তহবিলের এক গবেষণায় দেখা গেছে, সার্স-কভ-২ ভাইরাস এয়ারোসল হতে পারে এবং অন্তত তিন ঘণ্টা পর্যন্ত বাতাসবাহিত হয়ে থাকতে পারে।

Categories
লাইফ

ঘরে বসেই যেভাবে করবেন করোনা পরীক্ষা

ভারতের বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠী বলেছেন, যদি কারও ফ্লু বা সর্দি থাকে, প্রথমে নিজেকে সবার থেকে বিচ্ছিন্ন বা আইসোলেট করে লক্ষণ ভালো করে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। প্রথম দিন শুধু ক্লান্তি আসবে। তৃতীয় দিন হালকা জ্বর অনুভব হবে।

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যেই এক অডিওবার্তায় তিনি এমন পরামর্শ দিয়েছেন। সামাজিকমাধ্যমে যেটি ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে।

দেবী শেঠী বলেন, সঙ্গে কাশি ও গলায় সমস্যা হবে। পঞ্চম দিন পর্যন্ত মাথা যন্ত্রণা। পেটের সমস্যাও হতে পারে। ষষ্ঠ বা সপ্তম দিনে শরীরে ব্যথা বাড়বে এবং মাথা যন্ত্রণা কমতে থাকবে।

‘তবে ডায়েরিয়ার লক্ষণ দেখা দিতে পারে। পেটের সমস্যা থেকে যাবে। এবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অষ্টম ও নবম দিনে সব লক্ষণই চলে যাবে। তবে সর্দির প্রভাব বাড়তে থাকে। এর অর্থ আপনার প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়েছে এবং আপনার করোনার আশঙ্কা নেই।’

উপমহাদেশের এই বিখ্যাত চিকিৎসক বলেন, এমন সময়ে আপনার করোনাভাইরাসের পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। কারণ আপনার শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গেছে। যদি অষ্টম বা নবম দিনে আপনার শরীর আরও খারাপ হয়, করোনা হেল্পলাইনে ফোন করে অবশ্যই পরীক্ষা করে নিন।

ভারতের কাছে এ মুহূর্তে দেড় লাখ পরীক্ষার কিট রয়েছে এবং সর্বোচ্চ দেড় কোটির পরীক্ষা সম্ভব জানিয়ে তিনি বলেন, তাই জ্বর হওয়ার দ্বিতীয় বা তৃতীয় দিনেই প্রত্যেকেরই করোনা পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। এতে আরও বড় সমস্যা হবে।

পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, জ্বর হলেই করোনার পরীক্ষা নয়। আগে অপেক্ষা করে উপসর্গ পর্যবেক্ষণ করুন। খারাপ হলে নিজেকে পরীক্ষা করিয়ে নিন।

‘অতিরিক্ত মাস্ক বিক্রির জেরে তার হাসপাতালেও N95 মাস্কের অভাব। আপনি ভয় পেয়েছেন বলেই পরীক্ষা করা উচিত নয়’, মন্তব্য এই হৃদরোদ বিশেষজ্ঞের।

Categories
লাইফ

মোবাইল ফোনে চার দিন বাঁচে করোনা ভাইরাস

এই মুহূর্তে সারা বিশ্ব কাঁপছে করোনভাইরাস বা কভিড-১৯ আতঙ্কে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাস থাবা বসিয়েছে চীনসহ বিশ্বের অন্তত ৬০টি দেশে। করোনাভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাঁচতে, সংক্রমণ এড়িয়ে কী করবেন, তা নিয়ে জোর প্রচার চলছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) পাশাপাশি ইউনিসেফ, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের মতো সংস্থাও নানাভাবে প্রচার করছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম জানিয়েছে, মোবাইল ফোনে চার দিন বেঁচে থাকতে পারে করোনাভাইরাস।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। এতে জানানো হয়েছে, কোনো মোবাইল ফোন যদি করোনাভাইরাসের সংস্পর্শে আসে, তবে তাতে চার দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। তাই মোবাইল ফোন ঠিকভাবে পরিষ্কার করতে হবে। প্লাস্টিক বা স্টেইনলেস স্টিলে করোনাভাইরাস কয়েক দিন পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। তাই ফোন ভালো করে পরিষ্কার করতে হবে নিয়মিত। সেই সঙ্গে ভালো করে পরিস্কার করতে হবে হাত।

ডব্লিউইএফ জানিয়েছে, ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, কাচের মধ্যে সার্স ভাইরাস ৯৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। সার্সও এক ধরনের করোনাভাইরাস। সংবাদ সংস্থা এএফপি একটি টুইট করেছে। সেখানে দেখানো হয়েছে ধাতু, প্লাস্টিক বা অন্য উপাদানে করোনাভাইরাস এক থেকে নয় দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকে।

ডব্লিউইএফ আরও দেখিয়েছে, কীভাবে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে করোনাভাইরাস। এ ছাড়া করোনাভাইরাস এড়িয়ে চলার পাঁচটি উপায় বাতলেছে ইউনিসেফ। তা হলো- হাঁচি, কাশির সময় টিস্যু পেপার ব্যবহার, সাবান বা অ্যালকোহল যুক্ত হাত ধোয়ার দ্রব্য দিয়ে ভালো করে ঘষে ঘষে হাত ধুতে হবে, চোখ, মুখ, নাকে হাত দেওয়া যাবে না, হাঁচি, কাশি হচ্ছে এমন লোকজন থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং সর্দি, কাশি বা শ্বাসকষ্ট হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সূত্র :আনন্দবাজার পত্রিকা