Categories
শিক্ষা

একাদশে ভর্তি : ১ম ধাপে আবেদন করেনি আড়াই লাখ শিক্ষার্থী

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরুর প্রথম ধাপে সারাদেশের ১৩ লাখ ৪২ হাজারের বেশি ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছেন। গতকাল ২০ আগস্ট রাত ১১টা ৫৯মিনিট পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা প্রথম ধাপে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করতে পেরেছেন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সে হিসেবে ২ লাখ ৫১ হাজার শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করেননি।

জানা গেছে, চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষায় অংশ নেয় ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল ৯৫ হাজার ৮৯৫ জন শিক্ষার্থী। কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আলাদাভাবে এইচএসসি ভোকেশনাল, বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ও বিভিন্ন ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির আবেদন গ্রহণ করছে।

সে হিসেবে এসএসসি ও দাখিল পাস করেছে ১৫ লাখ ৯৪ হাজার ৯২৮ জন। যাদের মধ্যে ১৩ লাখ ৪২ হাজার ৭১৩ জন প্রথম ধাপে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করেছেন। সে হিসেবে ২ লাখ ৫১ হাজার ৯৫১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি বা আলিমে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করেননি।!
গত ৯ আগস্ট সকাল সাতটা থেকে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তির কার্যক্রম শুরু হয়। ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম শেষ হবে।

একাদশ শ্রেণিতে এইচএসসি ও আলিম শিক্ষার্থীদের ভর্তির ১ম দফায় অনলাইনে আবেদন গ্রহণ ৯ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ২০ আগস্ট শেষ হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ২৫ আগস্ট রাত ৮টায়।

শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চায়ন করতে হবে ২৬ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট রাত ৮টা পর্যন্ত। শিক্ষার্থী সিলেকশন নিশ্চায়ন না করলে ১ম পর্যায়ের সিলেকশন এবং আবেদন বাতিল হবে।

দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদন গ্রহণ ৩১ আগস্ট থেকে চলবে ২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। পছন্দক্রম অনুসারে ১ম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ হবে ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। আর দ্বিতীয় পর্যায়ের আবদনের ফল প্রকাশ হবে একই দিন (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টাতেই।

দ্বিতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থেীদের সিলেকশন নিশ্চায়ন ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। শিক্ষার্থী সিলেকশন নিশ্চায়ন না করলে ২য় পর্যায়ের সিলেকশন এবং আবেদন বাতিল হবে।

তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ চলবে ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর। পপছন্দক্রম অনুযায়ী ২য় মাইগ্রেশনের ফল এবং ৩য় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ হবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়।

তৃতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সিলেকশন নিশ্চায়ন করতে হবে ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। সিলেকশন নিশ্চায়ন না করলে আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে আর কলেজভিত্তিক চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হবে ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায়। ভর্তি চলবে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

শিক্ষার সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক শিক্ষার চ্যানেলের সাথেই থাকুন। ভিডিওগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক শিক্ষাডটকমের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে সয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিওগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।
সূত্র : দৈনিক শিক্ষাডটকম

Categories
শিক্ষা

এইচএসসি ও জেএসসি নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয় নি : শিক্ষা মন্ত্রনালয়

এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের তারিখ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ’কল্পিত’ তারিখ প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় বলছে,এইচএসসি ও জেএসসি পরীক্ষার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

আজ বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই কথা বলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে আরও বলা হয়, কোভিড-১৯ মহামারিকে বিবেচনায় নিয়ে এইচএসসি ও জেএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভাবছে। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের উদ্বেগের কথা বিবেচনা করে শিগগির সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যা গণমাধ্যমে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে। অসমর্থিত কোনো মাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত না হতে বিশেষভাবে অনুরোধ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ বছরের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা হচ্ছে না মর্মেও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এই বিষয়ে জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। কোভিড-১৯ মহামারিকে বিবেচনায় নিয়ে জেএসসি পরীক্ষার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ চেয়েছিলেন। বিশেষজ্ঞরা তাঁদের পর্যবেক্ষণসহ কিছু বিকল্প প্রস্তাব দিয়েছেন। মন্ত্রণালয় প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছে।

Categories
শিক্ষা

সেপ্টেম্বরে খুলতে পারে প্রাথমিক স্কুল, বার্ষিক পরীক্ষা ৫০ নম্বরের

সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

তিনি বলেন,‘পঞ্চম শ্রেণির নিচের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা নিজ নিজ স্কুলে হবে।’

সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা না খোলার পরিস্থিতির ওপর তিনটি বিকল্প মাথায় রেখে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে আগামী সপ্তাহে।’

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা আছেই। এই পরীক্ষাটা নিতে হলে আমাদের পাঠদানের যে সময় আছে, সেই সময়টা পাচ্ছি না।’

‘আমরা সেপ্টেম্বরের দিকে যদি স্কুল খুলে দিতে পারতাম, তাহলে শর্ট সিলেবাসে একটা পরীক্ষা (প্রাথমিক সমাপনী) নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা ছিল।

আমরা শর্ট সিলেবাস করে পরীক্ষাটা নেবো। না-হলে কেন্দ্রীয় পরীক্ষা হবে না। আবার যদি তা না (সেপ্টেম্বরে না খুলে) হয়, অক্টোবরের দিকে খুলে তাহলে ৫০ নম্বরের পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে পারি কিনা? যদি সম্ভব হয় তাহলে এমসিকিউ করতে পারি ৫০ নম্বরের।

এগুলো আমাদের চিন্তা-ভাবনা। পরীক্ষা (প্রাথমিক সমাপনী) আমরা রাখবো, পরীক্ষার কোনও বিকল্প নাই।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখন যেহেতু সেপ্টেম্বরে স্কুল খুলতে পারবো কিনা, তা বলতে পারছি না। অক্টোবর-নভেম্বরের দিকে খুললে তখন কী অবস্থা হবে, আমরা একটা মূল্যায়নের ভিত্তিতে স্কুলে স্কুলে পরীক্ষা নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করতেছি।’

অক্টোবরে না খুললে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অক্টোবরে না খুললে নভেম্বরে খুলবে, নভেম্বরে না খুললে তখন বিকল্প ব্যবস্থা নেবো।’ তবে সেই বিকল্প ব্যবস্থার কথা জানাননি প্রতিমন্ত্রী।

সমাপনী পরীক্ষার বদলে অটো পাসের চিন্তা-ভাবনার কথা আমরা শুনেছি, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘না। এরকম কোনও চিন্তা-ভাবনা আমাদের নেই। অটো পাসের চিন্তা নেই।

এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি যে, পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এরকম হুট করে বলা যায় না।’

‘অটো পাসের বিষয়টা প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের ওখানে আমাদের মাধ্যমিকের সচিব এবং আমাদের সিনিয়র সচিব কথা বলেছেন, এটা নিয়ে (অটো পাস) আলোচনা করেছেন যে, এরকম কিছু করা যায় কিনা?’, জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমাদের বিশেষজ্ঞ আছেন, অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আছেন, আমরা তাদেরকে নিয়ে বসে একটা ডিসিশন দেবো। আমরা যা-ই করি আমাদের অভিভাবক আছেন, আমরা সার-সংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাবো। উনি যেটি অনুমোদন করে দেবেন, আমরা সেটি বাস্তবায়ন করবো।’

প্রাথমিকের সমাপনী নিয়ে তিনটি পরিকল্পনার সার-সংক্ষেপ আগামী সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

পঞ্চম শ্রেণির নিচের ক্লাসের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার কী হবে, জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, ‘তাদের বার্ষিক পরীক্ষা হবে স্কুলে স্কুলে।’

Categories
শিক্ষা

প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন ‘উচ্চ ধাপে’ নির্ধারণ হচ্ছে শিঘ্রই

প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন ‘উচ্চ ধাপে’ নির্ধারণ হচ্ছে শিঘ্রই

গাজীপুর জার্নাল ডেস্কঃ

            দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন উচ্চ ধাপে নির্ধারণ হচ্ছে শিঘ্রই। 

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন।

ইতিমধ্যেই গণশিক্ষা সচিব অর্থ সচিবের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

আকরাম-আল-হোসেন ফেসবুকেও এ নিয়ে একটি বার্তা দিয়েছেন। সেখানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষার সচিব লিখেছেন, ‘… আজ অর্থ বিভাগের সচিবের সঙ্গে আপনাদের উচ্চ ধাপে বেতন নির্ধারণের বিষয়ে কথা বলেছি। তিনি উচ্চ ধাপে আপনাদের বেতন নির্ধারণ হবে মর্মে আমাকে কথা দিয়েছেন এবং খুব দ্রুত জিও জারি করবেন বলে আমাকে জানিয়েছেন। এটি একটি বিশাল অর্জন।’

গত ২৮ জুলাই সাড়ে তিন লাখ প্রাথমিক শিক্ষকের বেতন নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামীম আরা নাজনীন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, অর্থ বিভাগের ০৭/১১/২০১৯ তারিখের ০৭.০০.০০০০.১৬১.৩৮.০০.০০১.১৭-৩০৮ সংখ্যক পত্রের সম্মতিক্রমে এ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন গ্রেড-১৪ (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) এবং বেতন গ্রেড-১৫ (প্রশিক্ষণবিহীন) থেকে গ্রেড-১৩ তে উন্নীত করা হয় (সংলাপ-১) এবং প্রধান শিক্ষকদের গ্রেড-১২ (প্রশিক্ষণবিহীন) থেকে গ্রেড-১১ তে উন্নীত করে।

   কিন্তু শিক্ষকগণের বর্তমান মূল বেতনের নিম্ন ধাপে বেতন নির্ধারণের কারণে অনেক শিক্ষকের বেতন কমে যাচ্ছে।

এতে তারা বেতন বৈষম্যের স্বীকার হচ্ছেন। সে কারণে মাঠ পর্যায়ে বেতন ফিক্সেশন হচ্ছে না।

সারাদেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৭২ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এবং প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল উন্নীতকরণ শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারের একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত হওয়া সত্বেও শিক্ষকগণের বর্তমান মূল বেতনের নিম্নধাপে বেতন নির্ধারণের কারণে মাঠ পর্যায়ে শিক্ষকদের মাঝে হতাশা এবং অসন্তোষ বিরাজ করছে।

ফলে সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হওয়ার পরিবর্তে ক্ষুন্ন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

বেতন স্কেল উন্নীতকরণ ও বেতন নির্ধারণের বিষয়ে একটি শিক্ষক প্রতিনিধি দল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সচিব মহোদয়ের নির্দেশে প্রতিনিধি দলটি অর্থ সচিব মহোদয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

তদপ্রেক্ষিতে অর্থ সচিব মহোদয় উচ্চ ধাপে বেতন নির্ধারণের বিষয়ে শিক্ষক প্রতিনিধি দলকে প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছিলেন।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন কানুনগো/উপসহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার পদধারীদের উন্নীত বেতন নির্ধারণে এরূপ সমস্যার অর্থ বিভাগ কর্তৃক ২৬/১১/২০১৯ তারিখের ০৭.০০.০০০০.১৬১.৩১.০০৭.১২-৩৪১ সংখ্যক পত্রের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট স্কেলের উচ্চধাপে বেতন নির্ধারণ করে বৈষম্য নিরসনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে (সংলাগ-২)।

একই নির্দেশনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে মাঠ পর্যায়ে শিক্ষকদের মাঝে সৃষ্ট অসন্তোষ নিরসন হবে মর্মে প্রতীয়মান হয়।

       এ অবস্থায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন কানুনগো/উপসহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার পদধারীদের ন্যায় সংশ্লিষ্ট বেতন স্কেলের উচ্চধাপে বেতন নির্ধারণে অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত ২৬/১১/২০১৯ তারিখের ০৭.০০.০০০০.১৬১.৩১.০০৭.১২-৩৪১ সংখ্যক পত্রের অনুরূপ নির্দেশনা জারির জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।
Categories
শিক্ষা

আগামী বছর থেকেই দেশের সব প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা স্কুলে খাবার পাবে

আগামী বছর থেকেই দেশের সব প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা স্কুলে খাবার পাবে

নিউজ ডেস্কঃ

  আগামী বছর থেকে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাসের ফাঁকে খাবার পাবে শিক্ষার্থীরা।

‘মিড ডে মিল’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৬৫ হাজারেরও বেশি বিদ্যালয়ে এ খাবার বিতরণ করবে সরকার।

এর আওতায় সপ্তাহে তিন দিন রান্না করা খাবার এবং অপর তিন দিন শুকনো খাবার দেয়া হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে মিড ডে মিল কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়েছে।

এজন্য ১৯ হাজার ২৭২ কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বরাবর জমা দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম আল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় মিড ডে মিল কার্যক্রমটি গুরুত্বের সঙ্গে চালু করা হচ্ছে। পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পুষ্টি চাহিদা পূরণেও কাজ করবে সরকার।

২০২১ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিকে মিড ডে মিল চালু করা হবে।

এদিকে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় একশ’ চারটি উপজেলায় বিস্কুট পাচ্ছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও চাল, ডাল ও ভোজ্য তেল পাচ্ছে ১৬ উপজেলার শিক্ষার্থীরা।

করোনার কারণে স্কুল বন্ধ থাকায় মিড ডে মিল প্রকল্পের আওতায় এ কাজটি করছে সরকার।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, এ বছরটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ বছর আমরা জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ উদযাপন করছি। এজন্য এ বছরেই সব আয়োজন সম্পন্ন করে আগামী বছর থেকে মিড ডে মিল চালু করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, রান্নাকরা খাবার ও উচ্চ পুষ্টিমানসমৃদ্ধ বিস্কুট দেশের ১৬ উপজেলার ৪ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীর মাঝে পরিবেশন করা হচ্ছিল।

কিন্তু স্কুল বন্ধ থাকায় এখন আমরা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছি। কার্যক্রমটি যেভাবে এগোচ্ছে আশা করছি, আগামী বছর থেকে এটি দারুণ সাড়া ফেলবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, জাতীয় স্কুল মিল নীতি-২০১৯ এর আওতায় ২০২৩ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রম চালু হবে।

স্কুল ফিডিং প্রকল্পটি ২০১০ সালে স্বল্প পরিসরে চালু করা হয়। বর্তমানে ১০৪ উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রকল্পটি চালু রয়েছে।

২০১৩ সাল থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে মিড ডে মিল বা দুপুরে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। এই পাইলট প্রকল্প ফলপ্রসূ হওয়ার পর জাতীয় মিড ডে মিল নীতিমালা-২০১৯ প্রণয়ন করা হয়।

          এ ব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ফসিউল্লাহ্ বলেন, দেশ হিসেবে আমরা ধীরে ধীরে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। প্রাথমিকে শিশুদের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে মিড ডে মিল ভালো ভূমিকা পালন করবে।

আগামী বছর এর পরিসর বড় হবে। ২০২৩ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর কাছে মিড ডে মিলের খাবার পৌঁছে দেয়া হবে।

Categories
শিক্ষা

এক স্কুলে ৩ থেকে ৫ বছরের বেশি থাকতে পারবেন না প্রাথমিক শিক্ষকরা

এক স্কুলে ৩ থেকে ৫ বছরের বেশি থাকতে পারবেন না প্রাথমিক শিক্ষকরা

গাজীপুর জার্নাল ডেস্কঃ

                 বছরের পর বছর কিংবা সারাজীবন এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। 

এই ব্যবস্থার পরিবর্তন এনে শিক্ষকদের নির্ধারিত সময় পর পর বদলি বাধ্যতামূলক করা হবে।

বদলির এই ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালককে এই নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের চাকরি বদলিযোগ্য করা হবে।

তাদের ৩ বছর পর পর অথবা ৫ বছর পর পর এক স্কুল থেকে আরেক স্কুলে বদলি করা হবে।’

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা তৈরি করতে বলা হয়েছে। তিন বছর পর অথবা ৫ বছর পর বিবেচনা করে প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর।

তবে শিক্ষকদের যাতে ভোগান্তি না হয় সে কারণে কাছাকাছি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলি করার ব্যবস্থা রাখা হবে।

সরকারি চাকরিজীবীদের তিন বছর পর পর বদলি করার নিয়ম থাকলেও প্রাথমিক শিক্ষকদের বেলায় তা করা হয় না। এই প্রথম এমন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে মন্ত্রণালয়।

Categories
শিক্ষা

দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শোক দিবস পালনের জন্য ২ হাজার টাকা করে বরাদ্দের ঘোষণা

সদরুল আইনঃ

                    দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শোক দিবস পালনের জন্য ২ হাজার টাকা করে বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার শোকাবহ দিনটি পালনের জন্য এ বরাদ্দ প্রদান করা হবে।

জাতীয় শোক দিবস পালনে এবারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

ভার্চুয়াল মাধ্যমে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শোক দিবস পালনের নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

পাশাপাশি, শোক দিবস পালনে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে দুই হাজার টাকা করে দেয়া হবে।

বিভাগীয় উপ-পরিচালকদের এ নির্দেশনা পাঠিয়ে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় শোক দিবস পালনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

জানা গেছে, গত ১৬ জুলাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সে সভায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনে এ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে, আগামী ১৫ আগস্ট সব সরকারি-বেসরকারি আধাসরকারি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।

ভার্চুয়াল মাধ্যম ব্যবহার করে এদিন সব সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদরাসা, কলেজ, মেডিকেল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শোক দিবসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, চিত্র প্রদর্শনী, হাম নাত প্রতিযোগিতা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করবে।

এছাড়া সংসদ টেলিভিশনে শিক্ষার্থীদের জন্য বঙ্গবন্ধুর জীবনভিত্তিক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

বঙ্গবন্ধুর জীবন ভিত্তিক ২৬টি বই সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংগ্রহ ও পাঠের ব্যবস্থা করা হবে। এগুলো বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ও প্রতিযোগিতায় কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার হিসেবে দেয়া হবে।

শোক দিবস পালনে সব প্রাথমিক বিদ্যালয় পোস্টার বিতরণ করা হবে।

       এছাড়া এদিন বাদ জোহর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মসজিদসহ দেশের সব মসজিদে বিশেষ মোনাজাত করা হবে।
Categories
জাতীয় শিক্ষা

এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলছি না : প্রধানমন্ত্রী

এই মুহূর্তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘শিক্ষার্থীরা দেশের ভবিষ্যত এবং সরকার তাদের ঝুঁকিতে ফেলতে চায় না। আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলছি না, কারণ আমরা ধাপে ধাপে এগোতে চাই যাতে তারা (শিক্ষার্থীরা) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত না হয়।’

৩১ মে, রবিবার প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সময় এসব কথা বলেন। এসময় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনির সাথে বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানরা তার মন্ত্রণালয়ে উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমান পরিস্থিতিকে পুরো বিশ্বের জন্য সঙ্কট উল্লেখ করে সকলকে আত্মবিশ্বাস রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আত্মবিশ্বাসই সবচেয়ে বড় বিষয়। পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন আমাদেরকে তার মুখোমুখি হতে হবে।’

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেই দেশ প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের মুখোমুখি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসের সাথে ঘূর্ণিঝড়সহ সকল সংকটের মুখোমুখি হব এবং একসাথে কাজ করব এখন যেমন করছি।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘একসাথে কাজ করে দেশ করোনাভাইরাস মহামারি কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে। এটিই লক্ষ্য এবং এটিই সরকারের সিদ্ধান্ত।

Categories
শিক্ষা

১০৪ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল!

এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে ১০৪টি প্রতিষ্ঠানের সকল পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে। আজ ৩১ মে, রবিবার ঘোষিত ফলাফল থেকে এমন তথ্য জানা গেছে। বেলা ১১টার দিকে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে ফলাফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

এসময় তিনি বলেন, ‘এ বছর শূন্য শতাংশ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১০৪টি, গত বছর যা ছিল ১০৭টি। কমেছে তিনটি। এটা ভালো খবর।‘

ওই সব প্রতিষ্ঠান কেন ফল খারাপ করল সেসব বিষয় খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী।

এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় ১০ বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ বলেও জানান তিনি। এর মধ্যে এসএসসিতে ৮৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ, মাদ্রাসায় ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ এবং কারিগরিতে ৭২ দশমিক ৭ শতাংশ পাস করেছে।

এবারো পাসের হারে ছাত্রীরাই এগিয়ে আছে। ৮৪ দশমিক ১০ শতাংশ ছাত্রী এবার পাস করেছেন, আর ছাত্রদের পাসের হার ৮১ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ১০ লাখ ২১ হাজার ৪৯০ জন ছাত্র পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৮ লাখ ৩৩ হাজার ৮৯২ জন। আর ১০ লাখ ১৮ হাজার ৫৩৮ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৬৩১ জন পাস করেছেন।

এবার পাশের হারে শীর্ষে রয়েছে রাজশাহী বোর্ড। এ বোর্ডে এবার পাশের হার ৯০.৩৭% আর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৬৭ জন ছাত্র-ছাত্রী।

যশোর বোর্ডে ৮৭ দশমিক ৩১ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে, এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ হাজার ৭৬৪ জন।

কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৮৫ দশমিক ২২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ২৪৫ জন শিক্ষার্থী।

চট্টগ্রাম বোর্ডে এবার পাশের হার ৮৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এই বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৯ হাজার ৮ জন শিক্ষার্থী।

দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ৭৩ শতাংশ, ১২ হাজার ৮৬ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

ঢাকা বোর্ডে পাশের হার ৮২ দশমিক ৩৪ শতাংশ। আর এ বোর্ডে সর্বোচ্চ ৩৬ হাজার ৪৭ জন জিপিএ ফাইভ পেয়েছেন।

ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৮০ দশমিক ১৩ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৪৩৪ জন।

বরিশাল বোর্ডে ৭৯ দশমিক ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন, এদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৮৩ জন।

সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৭৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ২৬৩ জন শিক্ষার্থী।

Categories
শিক্ষা

ছুটির পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালাতে হবে

 

করোনাভাইরাসে কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ছুটির পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আবার চালু হলে আগের মতো পরিচালিত হবে না।

এক্ষেত্রে শিক্ষার পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্য সচেতনতা। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা কার্যক্রম চললেও অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম গুরুত্ব পাবে বেশি।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ক্লাসে আগে যেমন একসঙ্গে পাশাপাশি অনেক শিক্ষার্থীর বসার ব্যবস্থা ছিল, তা থাকবে না। টিফিনে দল বেঁধে আড্ডা দেওয়ার পরিবেশও বদলে যাবে। সামাজিক দূরত্ব মেনে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসা-যাওয়া করতে হবে।

এসব বিষয় চিন্তা করে স্বাস্থ্য অধিদফতরের স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালাতে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।

তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হোক বা না হোক বিকল্পভাবে পাঠদান চলবে সারাবছরই।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘করোনা বিস্তার কমে গেলে যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়, তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলবে। আগের মতো করে স্বাভাবিক নিয়মে ক্লাসসহ শিক্ষা কার্যক্রম চলবে না।

কারণ করোনাভাইরাসের এই সমস্যা রাতারাতি নির্মূল হচ্ছে না।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার আগেই সব প্রস্তুতি নিতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে যে জটলা সৃষ্টি হবে তা কীভাবে সমন্বয় করা হবে তা নিয়ে ভাবা হচ্ছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সুস্থ আছেন কিনা তা যাচাই করতে হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কারোনা রোগ নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে বিকল্প হিসেবে।’

করোনার বিস্তার রোধ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় গত ১৭ মার্চ থেকে আগামী ৩০ মে পর্যন্ত ছুটি চলছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। এই সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ছুটির সময় ঘরে বসেই শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পাঠদানের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তবে এই ছুটি বাড়তে পারে এমন সম্ভাবনায় সব শিক্ষার্থীকে পাঠদানের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ভাষণে জানিয়েছিলেন পরিস্থিতি খারাপ হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেওয়া হবে। বর্তমানে ৩০ মে পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

তবে করোনা পরিস্থিতি যদি ভালোর দিকে গড়ায় তাহলে দীর্ঘদিন বন্ধ না রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হতে পারে। আর সেই পরিপ্রেক্ষিতে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার।

বন্ধ থাকা কালে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘আমার ঘরে আমার স্কুল’ শিরোনামে সংসদ টেলিভিশনে ক্লাস চলছে এবং ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও ক্লাস আপলোড করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের জন্য।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ঘরে বসে শিখি’ শিরোনামে সংসদ টেলিভিশনে ভিডিও ক্লাস চলছে। এছাড়া ‘ঘরে বসে শিখি’ শিরোনামে একটি ওয়েব পোর্টাল ডেভেলপ করা হচ্ছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চলবে তার একটি গাইড লাইন দেয় শিক্ষা অধিদফতর। গত ২ মে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ক্রমান্বয়ে চালু করার সুবিধার্থে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, স্থাপনা ও পেশার জন্য কারিগরি নির্দেশনা’ শীর্ষক পুস্তিকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য একটি গাইডলাইন দেওয়া হয়।

এই গাইডলাইন ধরেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনার নির্দেশনা দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই গাইডলাইন বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নেবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর।

করোনা পুরো নির্মূল না হলে বা পরিস্থিতি খুবই অনুকূলে না গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন হবে বলে মনে করেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

কারণ, রাজধানীর বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানসহ দেশের বেসরকারি অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গাদাগাদি করে ক্লাস নেওয়া হয়। বেসরকারি অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বেঞ্চগুলো চার বা সাড়ে চার ফিট।

এসব বেঞ্চে বসানো হয় তিন থেকে চারজন শিক্ষার্থী। এ কারণে সব শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করে শারীরিক দূরত্ব মেনে ক্লাস করানো সম্ভব হবে না।