কত যে স্বপ্ন, মাদকে করেছ নষ্ট

মাদককে না বলি, মাদককে প্রতিহত এবং প্রতিরোধ করি, মাদক ব্যবসায়ী, মাদক সেবীদেরকে সামাজিক ভাবে বয়কট করি এবং মাদকের সাথে সংশ্লিষ্ঠদের ঘৃণা করি। দেশের বাস্তবতায় মাদকের আগ্রাসন অভিশপ্তের ডালপালার বিস্তৃতি ঘটিয়েছে।

যে সন্তান পরিবারের আর্শীবাদ হতে পারতো, সমাজ এবং দেশের উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে ও দেশের গর্বে পরিণত হতে পারতো সেই সন্তান আজ মাদকের স্পর্শে, মাদকের করালগ্রাসে কেবল বিপদ সীমানায় পরিবারের বোঝা এবং দেশের অভিশাপে পরিণত হয়েছে। পরিবারের শান্তি নষ্ট করনের ক্ষেত্রে ও মাদকের অপ্রতিরোধ্য ভূমিকা বিশেষ ভাবে কার্যকর।

মাদকের নীল ছোবলে দংশিত দেশের যুব সমাজের একটি বড় অংশ বিপদগামী। বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের অনেকে মরন নেশা ফেনসিডিলে আসক্ত হয়ে পড়েছে। এক শ্রেণীর সমাজ বিরোধী, দেশোদ্রোহীরা কথিত সীমান্ত ঘাট গুলোর মাধ্যমে ফেনসিডিল,ইয়াবা, মদ সহ বিভিন্ন ধরনের মাদকের অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে আর্থসামাজিক পরিস্থিতিকে নাজুক করে তুলেছে।

যে হাত কর্মির হওয়ার কথা, যে হাত সৃষ্টিশীলতা এবং সমাজ উন্নয়নের ক্ষেত্র নিশ্চিত করনের কথা সেই হাতে মরন নেশা মাদক। বগুড়া সান্তাহার বাস্তবতায় মাদকের উপস্থিতির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে পুলিশ সুপার অবস্থান নিয়েছেন। একশ্রেণীর সমাজ বিরোধীরা সাতক্ষীরাকে মাদক পাচারের রুট হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করে এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাচার করা হয়। মাদক সেবী এবং মাদক বিক্রেতারা কেবল সমাজের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন তা নয় তারা পারিবারীক শান্তীও বিনষ্ট করেছে।

অনেক বাবা, মা মাদক সেবী সন্তানের অত্যাচারে, অনাচারে এবং নির্যাতনে অতিষ্ট হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়ে নিজ সন্তানকে জেলখানায় বন্দী রাখার ব্যবস্থা করতেও কার্পন্য করেননি। মাদকের উপস্থিতি এবং মাদক গ্রহনে কেবল পরিবারের বা সমাজের শান্তী নষ্ট হচ্ছে তা নয় মাদক সেবী নিজেকে নিঃশেষ করে দিচ্ছে। মাদক গ্রহনের ফলে শরীরের বিভিন্ন ধরনের অঙ্গ প্রতঙ্গ তার কার্যক্ষমতা হারাচ্ছে এবং অকালে মাদক সেবী মৃত্যু মুখে পতিত হচ্ছে।

সব কিছুর উর্ধে শারিরীক সুস্থতা এবং বেঁচে থাকা, কিন্তু মাদক গ্রহণের ফলে অতি দ্রুত জীবনী শক্তি ক্ষয় হয় এবং মাদক সেবী শারিরীক সুস্থতা হারায়, মাদক সেবী, বিক্রেতাদেরকে কোন অবস্থাতেই ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে অধিকতর তৎপরতা এবং মাদকের সাথে সম্পর্কযুক্তদেরকে সামাজিক ভাবে বয়কট করতে হবে।

আইনের কঠোর এবং যথাযথ প্রয়োগ ঘটাতে হবে প্রয়োজনে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবীদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তী দিতে নতুন আইন প্রনয়ন করতে হবে। মাদক ব্যবসায়ী, মাদক সেবী এবং তাদেরকে আশ্রয় প্রশ্রয়দানকারী দেশ এবং জাতির শত্রু“ তাদের কে বয়কট করার পাশাপাশি তাদের সম্পর্কে আইন প্রয়োগ কারী সংস্থাকে অবহিত করতে হবে। মাদক মুক্ত সমাজ গড়ি, মাদককে না বলি, মাদককে ঘৃণা করি।

TopUP