নরসিংদীর মাধবদীতে পুলিশের নাকের ডগায় গড়ে উঠছে মাদকের সাম্রাজ্য

নরসিংদীর মাধবদীতে গত কিছু দিন যাবত বেশ কয়েকজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেঞ্জ ঘোষনা করলে গত দুই সপ্তাহে প্রায় ২০ জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করে পুলিশ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ রয়েছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে ।

এরই মধ্যে মাধবদীর টাটাপারা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ি আওলাদ হোসেন মিঠুন নামে একজন পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হলে,এলাকায় আরো থমথমে পরিবেশ বিরাজ করে ।জানা যায়, এতে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়িরা পালিয়ে গেলেও এতে সুবিধা ভোগ করছে ছোট ছোট মাদক ব্যবসায়িরা ।পুলিশের অভিযানের কারনে বড় বড় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়িরা পালিয়ে থাকায় ছোট মাদক ব্যবসায়িদের ব্যবসা এখন রমরমা। অতীতে বড় ধরনের কোন মামলা না থাকায় তাদের গ্রেফতারও করছে না পুলিশ। তাদের মধ্যে একজন মাধবদীর দড়িপাড়া এলাকার ফেন্সি কাদির (২৬) ।


এলাকা সূত্রে জানা গেছে, দড়িপারার এই ফেন্সি কাদির ইয়াবা,ফেন্সিডিল,বিদেশি বিয়ার সহ প্রায় সব ধরণের মাদকদ্রব্য বিক্রির সাথে জড়িত। দড়িপারা বিরামপুরের এলাকা বাসি জানায়,সন্ধ্যা হলেই মাদকসেবীদের আনা গোনা দেখা দেয় বিরামপুরে ।এলাকার ছেলে পেলেরা সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কাদিরের কারনে।সে এলাকার ছেলে-পেলেদের চাপ দিয়ে তার সাথে কাজ করতে বলে।তার কথায় রাজি না হলে বিভিন্ন রকম হুমকি-ধামকি দেয়।পুলিশ কেন তাকে গ্রেফতার করছে না,আমরা তা বুঝতে পারছি না।’


এলাকার একজন মুরুব্বি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়,”বিরামপুর একটি শান্তিপূর্ণ এলাকা হিসেবে মাধবদীতে পরিচিত। শান্তিনগরের আকাব্বরের ছেলে কাদিরের কারনে বিরামপুরটা একটা মাদকের সাম্রাজ্যে পরিনত হচ্ছে । তিনি দুঃখ করে আরো বলেন,”মাধবদীর পুলিশ এতজনকে ধরে,মারে,ওরে কিছু করতে পারে না কেন ?এলাকাবাসী অনতিবিলম্বে তার গ্রেফতার চায়।

TopUP