Categories
খুলনা সারা দেশ

৫ ফুট ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে খুলনায় জোয়ারের পানি

সদরুল আইন :
ঘূর্ণিঝড় ফণী এখন ঘণ্টায় ১৭০ কিলোমিটার বেগের বাতাসের শক্তি নিয়ে এগুচ্ছে বাংলাদেশের উপকূলে। কিন্তু কখনও কখনও এই বেগ ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
জানা গেছে, ভারতের উপকূলে আঘাত হানার পর কিছুটা দুর্বল হয়ে আগামী ৪ মে শনিবার বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে।
তবে এরই মধ্যে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে। পুরো খুলনাজুড়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মেঘলা আবহাওয়া বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ফণীর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় নদ-নদীগুলোর জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের থেকে কমপক্ষে ৫ ফুট ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে। ফলে কয়রা, পাইকগাছা, দাকোপ ও বটিয়াঘাটা উপজেলার ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষ চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।
এদিকে এই ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে খুলনা জেলা প্রশাসন। উপূলীয় তিন উপজেলা কয়রা, পাইকগাছা ও দাকোপে মোতায়েন করা হয়েছে সাড়ে তিন হাজার স্বেচ্ছাসেবক।
একই সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবিলায় খুলনার ২৪২টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন এসব তথ্য জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে তিনি আরও জানান, খুলনার তিন উপকূলীয় উপজেলা কয়রায় ১ হাজার ২৫০, দাকোপে ১ হাজার ১৩৫ ও পাইকগাছায় ১ হাজার স্বেচ্ছাসেবকসহ প্রায় সাড়ে তিন হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
তাছাড়া ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে তাদের আগেই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলার সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
এদিকে খুলনা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি এবং ৯ উপজেলায় ৯টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।
তাছাড়া স্থানীয় লোকজনকে সতর্ক করতে উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে মাইকিং করা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১১৪টি মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নেয়া হয়েছে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি।

Categories
খুলনা

জনপ্রতিনিধির ইফতারে জনগণের প্রবেশ নিষেধ!

মিঠুন রায়

দ্যা টাইমস অফ বিডি.কম মাগুরা প্রতিনিধি

মাগুরা আসনের এমপি সাহেবের ইফতারিতে জনসাধারণের প্রবেশ নিষেধ ! গতকাল শনিবার ( রমজান) মাগুরা আসনের  সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল এটি এম আব্দুল ওয়াহাবের শ্রীপুর উপজেলার টুপিপাড়া গ্রামের বাড়িতে ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত হয়। বাড়ির গেটে  ‘‘ইফতার পার্টি শুধুমাত্র আমন্ত্রিত মেহমানদের জন্য প্রবেশাধিকার’’ লিখে টানিয়ে দেয়া হয়েছে। ওই ইফতার পার্টিতে পুলিশ দিয়ে জনগণের প্রবেশ আটকে দেয়া হয়েছে। ঘটনায় ওই এলাকায় বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই এমপি সাহেবের বাড়ির সামনের প্রবেশ নিষেধ লেখা ব্যানার ফেসবুকে পোষ্ট করে পুলিশের প্রহরাকে হাইলাইট করে তাহলে কি এমপি সাহেবের ইফতারে জনগণের প্রবেশ নিষেধ? এমন  প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

গ্রামের আসহায়, দরিদ্র, স্থানীয় বাসিন্দা অনেকেই এমপি সাহেবের ইফতার পার্টির কথা শুনে এসেছেন কিন্তু তাদের কাউকেই বাড়ির মধ্য ঢুকতে দেওয়া হয়নি। বাড়ির গেটে পুলিশ প্রশাসন কড়া পাহাড়ায় রেখেছেন।  তারা ওই এই জনপ্রতিনিধির প্রতি ক্ষোভ হতাশা প্রকাশ করেছেন।

ক্ষোভ প্রকাশ করে একই গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিদ্দিক মিয়া মাগুরাবার্তাকে  বলেন , এম পি সাহেবের বাড়িতে বড় ইফতার পার্টিতে একজন মুক্তিযোদ্ধা একই গ্রামের বাসিন্দা হিসেবেও কোন দাওয়াত পাইনি। বরিষাট গ্রামের বাসিন্দা আওয়ামী পরিবার মুক্তিযোদ্ধের সন্তান রুলু শেখ ক্ষোভ প্রকাশ করে মাগুরাবার্তাকে বলেন, এলাকার মানুষকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলাম অথচ তার বাড়িতে বড় ইফতার পার্টির অনুষ্ঠানে ঢুকতেই দিল না। গেটসহ আশে পাশে পুলিশ প্রশাসন পাহাড়ায় রেখেছেন। আওয়ামী পরিবারের সন্তান এলাকার বাসিন্দা হিসেবে নিজের কাছে বিষয়টা অত্যন্ত আপমান জনক লেগেছে।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছে।